​বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে সাব-ইন্সপেক্টর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি 


বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে ২০১৮ সালের বহিরাগত ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি। জেনে নিন বিস্তারিত

শিক্ষাগত যোগ্যতা: কমপক্ষে স্নাতক পাস
বয়স: ১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে সাধারণ এবং অন্যান্য কোটার প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স হতে হেব ১৯ থেকে ২৭ বছরের মধ্যে। মুক্তিযোদ্ধা/ শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়সসসীমা ১৯ থেকে ৩২ বছর।
শারীরিক যোগ্যতা: পুরুষ প্রার্থীদের উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি, সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি হতে হবে। নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ২ ইঞ্চি হতে হবে। বডি মাস ইনডেক্স অনুযায়ী বয়স ও উচ্চতার সাথে ওজনের সামঞ্জস্য থাকতে হবে।
অন্যান্য যোগ্যতা: প্রার্থীকে অবশ্যই অবিবাহিত ও জন্মসূত্রে বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে। কম্পিউটার চালনায় অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
সরাসরি বাছাই পরীক্ষা

এসআই (নিরস্ত্র) হতে আগ্রহী প্রার্থীদের আগে আবেদন করতে হবে না। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সরাসরি শারীরিক মাপ ও শারীরিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। আগামী ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন জেলার বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ৷

##

Advertisements

তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির চেয়ে আওয়ামী লীগ অনেক বেশি জনপ্রিয়


অনলাইন ডেস্ক : 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপির চেয়ে আওয়ামী লীগ সাংগঠনিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং জনপ্রিয় ৷

শনিবার বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বিআরটিসির বাস ডিপো পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নতুন ভোটার ও নারী ভোটার এবং তৃণমূলের দলীয় সাংগঠনিক শক্তির ওপর নির্ভর করে আগামী জাতীয় নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ জয়ী হবে। আগামী জাতীয় সাধারণ নির্বাচন অবাধও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে বিএনপিকে জনগন প্রত্যাখান করবে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘ আমরা বিএনপির মতো নই যে বাবা ছেলের নাম ঘোষণা করবে। আওয়ামী লীগে বিভ্রান্তি সৃষ্টির কোন সুযোগ নেই।’

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের মনোনয়ন দান করার ক্ষেত্রেও মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিয়ে থাকে। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে কে মনোনয়ন পাবে। এ নির্বাচনের তফশিল ঘোষণার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এ সময় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি ও বিআরটিসির চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়াসহ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কথা রাখলো ছাত্রলীগ : রাজধানীবাসীর ভোগান্তি লাঘবে স্থগিত করলো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রা


নিউজ ডেস্ক :

আগামী ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৌরবময় ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। রেওয়াজ অনুযায়ী এতো দিন ৪ জানুয়ারি বর্ণাঢ্য র‍্যালির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করে থাকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের অন্যতম অঙ্গ সংগঠনটি। কিন্তু এবার রাজধানীবাসীর ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন রাজধানীতে র‍্যালি করবে না ছাত্রলীগ।

শুক্রবার রাতে সংংবাদ মাধ্যমকে এমন তথ্য জানিয়েছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন।

তিনি বলেন, আসছে বছরের ৪ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার। স্বাভাবিকভাবে এ দিন সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস। তাই সাধারণ জনগণের যাতে কোনো ভোগান্তি না হয়, সে চিন্তা করে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‍্যালিটি ৬ জানুয়ারি (শনিবার) পালন করা হবে।

জাকির হোসাইন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রাজধানীবাসীর ভোগান্তির বিষয়টি মাথায় রেখে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার ছাড়া সপ্তাহের অন্যদিনগুলোতে শোভাযাত্রা (র‌্যালি) না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। তাই এতো দিনের রেওয়াজ থাকলেও আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে রাস্তা বন্ধ করে র‌্যালি করবো না।

তিনি জানান, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন ঢাকায় র‍্যালি আয়োজন না করলেও ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর মধ্য দিয়ে কার্যক্রম শুরু হবে। সন্ধায় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে স্বাক্ষাৎ করবেন ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।

এদিকে ঢাকায় র‌্যালী না হলেও ওই দিন সারাদেশে র‍্যালিসহ ব্যাপক আয়োজনের মধ্যদিয়ে ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করবে সংগঠনটি।

উল্লেখ্য, রাজধানীবাসীর ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনা করে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও শনিবার ছাড়া সপ্তাহের অন্যদিনগুলোতে শোভাযাত্রা (র‌্যালি) না করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

গত  ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত ছাত্রলীগের পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এই আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এখন থেকে রাজধানীবাসীর ভোগান্তির বিষয়টি মাথায় রেখে কর্মসূচি পালন করতে হবে। ভবিষ্যতে এ বিষয়টি খেয়াল রাখ‍া হবে।

##

মানিকে মানিক চিনে দুর্নীতিবাজ চিনে দুর্নীতিবাজ-হাছান মাহমুদ


অনলাইন ডেস্ক : 

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আবদুল আওয়াল মিন্টু এবং তার পুত্র তাবিদ আওয়ালকে মনোনয়ন প্রাপ্তির ঘোষনা প্রসঙ্গে আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন ‘মানিকে মানিক চিনে, দুর্ণীতিবাজ চিনে দুর্ণীতিবাজ’। আবদুল আওয়াল মিন্টু ও তার পুত্র দুই জনই বিদেশে অর্থপাচারকারী হিসেবে পানামা পেপারসে নাম এসেছে। অপরদিকে খালেদা জিয়াও বিদেশে অর্থ পাচার করে বিভিন্ন দেশে শপিংমল ও বিভিন্নখাতে বিনিয়োগ করেছেন বলে বিশ্ব গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে । খালেদা জিয়া নিজেই একজন দুর্ণীতিবাজ, আর নির্বাচনে যাদের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিচ্ছেন তারাও দুর্ণীতিবাজ।

ড. হাছান মাহমুদ শনিবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে খালেদা জিয়া ও তার পরিবার কতৃক বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনা ও খালেদা জিয়ার বিচার দাবীতে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আগামী ৫ জানুয়ারীকে সামনে রেখে বিএনপি জামায়াত দেশে পরিকল্পিত নৈরাজ্য ও বিশৃংখলা সৃষ্টির ছক এঁকেছে। বিএনপি জামায়াতের নীল নকশা ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগনের পাশে থেকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সতর্ক পাহারায় থাকতে হবে।

এতিম খানার নামে অর্থ আত্মসাত মামলায় খালেদা জিয়ার বিচার এখন শেষ পর্যায়ে উল্লেখ করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন. বিচারের নামে খালেদা জিয়াক হেনস্তা করা হচ্ছে বলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল অভিযোগ তুলেছেন, পক্ষান্তরে খালেদা জিয়া বার বার আদালতের কাছ থেকে নানা অজুহাতে সময় নিয়ে আদালতকেই হেনস্তা করছেন। মুল আসামী হিসেবে আদালতে হাজির থাকা সত্বেও খালেদা জিয়া ইতিমধ্যে আদালতের কাছ থেকে দেড়শ বার সময় নিয়েছেন।

ড. হাছান মাহমুদ আরও বলেন, খালেদা বিচার শেষ পর্যায়ে থাকায় বিচারের রায় ঠেকাতে বিএনপি দেশে বিশৃংখলা সৃষ্টির অপচেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে সকলকে ঐক্যবদ্ধ এবং সতর্ক থাকতে হবে।

খালেদা জিয়ার বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ তুলে ড. হাছান মাহমুদ বলেন আগে জানা গিয়েছিলো তারেক রহমান এবং আরাফাত রহমান বিদেশে অর্থ পাচার করে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। এখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে খালেদা জিয়াও মধ্যপ্রাচ্যে অর্থ পাচার করে শপিং মলসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করেছেন। সৌদি আরবে ১১ জন যুবরাজ গ্রেপ্তার হয়েছেন। এদের মধ্যে দুই জন ইতিমধ্যে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন খালেদা জিয়ার বিনিয়োগ রয়েছে শপিংমলে নির্মানে। সেখান থেকে প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর খালেদা জিয়া লভ্যাংশ পেয়ে থাকেন।

আগামী সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, জনগনকে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যারা আন্দোলনের নামে জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করে তাদেরকে ক্ষমতায় বসাব্ েনাকি দেশ ও জনগনের ভাগ্য উন্নয়নে যারা কাজ করে তাদেরকে পুনরায় নির্বাচিত করবে। আগামী ৫ জানুয়ারীকে কেন্দ্র করে বিএনপি জামায়াতের যে কোন ধরনের বিশৃংখলা ও নৈরাজ্য প্রতিহত করতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে পাহারায় থাকার আহ্বান জানান ড. হাছান মাহমুদ।

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি বখতেয়ার সাঈদ ইরানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবূ তৈয়বের সঞ্চালনায় উক্ত মানবন্ধন কর্মসূচীতে আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক জসিম উদ্দিন শাহ, দক্ষিন জেলা যুবলীগ সভাপতি আ ন ম টিপু সুলতান, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নেতা সরফুদ্দিন রাজু, পেশাজীবি নেতা সাদাত আনোয়ার সাদি, ছাত্রলীগ নেতা মোঃ আলাউদ্দিন, শওকত আনাম সোহেল, আবদুল হালিম, গিয়াস উদ্দিন, মাহমুদুল হক, মাহফুজুর রহমান সুমন, নুরুল আলম, মোঃ বাবলা, মোহাম্মদ নাছির প্রমুখ।

##

বাসার ছাদেও থার্টিফার্স্ট উদযাপন করা যাবে না : কঠোর নিরাপত্তায় থাকবে সোয়াট



​নিউজ ডেস্ক :

নতুন বছরের প্রথম প্রহর (থার্টি ফার্স্ট) উদযাপনের নিরাপত্তায় এবার নামানো হচ্ছে গোয়েন্দা পুলিশের সর্বাধুনিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত টিম স্পেশাল হুইপন্স অ্যান্ড ট্যাক্টিকসকে (সোয়াট)। বিশেষায়িত এই বাহিনীটি মূলত জঙ্গি দমনসহ পুলিশের বিশেষ অপারেশনে অংশ নেয়।

শনিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। থার্টি ফার্স্ট নাইটের নিরাপত্তা সম্পর্কে জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় ৷

থার্টি ফার্স্টে ঢাকার সব মদের দোকান বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেন, ‘থার্টিফার্স্টে মাদক ব্যবহারের প্রবণতা দেখা যায়। তাই মাদক নিয়ন্ত্রণে আমাদের গোয়েন্দারা তৎপর থাকবে। ৩১ তারিখ সন্ধ্যা থেকে পরদিন ভোর পর্যন্ত নগরীর সব মদের দোকান ও বার বন্ধ থাকবে।’

শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার এসব কথা বলেন। ঢাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও আইন-শৃংখাবাহিনী বিশেষ নজরদারি চালাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাত ৮টা থেকে হোটেল ও রেস্তোরাঁয় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রাত ৮টার পর বহিরাগতদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আর গুলশান-বনানী এলাকায় শুধু আমতলি ও কাকলি ক্রসিং দিয়ে প্রবেশ করা যাবে। তবে বের হওয়া যাবে সব পয়েন্ট দিয়ে। ৮টার পর এসব এলাকার নাগরিকদের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে প্রবেশ করতে দেয়া হবে। এছাড়াও ওই এলাকায় প্রবেশের সময় তল্লাশি করা হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপনে সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই। তবে আমরা যে কোনো বিষয়ে অগ্রিম তথ্য সংগ্রহ করে তৎপর। বহির্বিশ্বে বিভিন্ন নাশকতার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় কোনো অঘটন যাতে না ঘটে সেজন্য আমরা প্রিভেন্টিভ (প্রতিরোধমূলক) ব্যবস্থা নিয়েছি। এজন্য নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডিএমপির সোয়াট ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট স্ট্যান্ডবাই থাকবে।

থার্টি ফার্স্টের যে কোনো অনুষ্ঠান আয়োজনের আগে পুলিশের অনুমতি লাগবে। এমনকি বাসার ছাদেও কোনো অনুষ্ঠান করা যাবে না। বাসার ছাদে অনুষ্ঠানে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীতে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকবে। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে উন্মুক্ত স্থানে বা বাড়ির ছাদে কোনো সমাবেশ, গান-বাজনা করা, আতশবাড়ি ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ছাদে অনুষ্ঠান করে প্রতিবেশীদের বিরক্ত করা যাবে না।’

##

বিদেশী পিস্তলসহ ৫ ভুয়া ডিবি পুলিশ আটক


অনলাইন ডেস্ক : 

রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় ভুয়া ডিবি পরিচয় দিয়ে রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে অপহরণ, ছিনতাই এমনকি অপহৃত ব্যক্তিকে আটকে রেখে মুক্তিপণ আদায় করতো একটি চক্র। এ ক্ষেত্রে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করা ব্যক্তি, মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ী, স্বর্ণ ব্যবসায়ী, বড় দোকানের মালিকদের টার্গেট করতো তারা।

শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) দিনগত রাতে গাজীপুর এলাকায় এক ব্যক্তিকে অপহরণের সময় অভিযান চালিয়ে ভুয়া ডিবি চক্রের ৫ সদস্যকে আটক করে র‌্যাব-২।

আটকেরা হলেন-আলাউদ্দিন আলী (৩৫), নয়ন মোল্লা (২৮), খোকন ঢালী (৩০), আলতাফ হোসেন (৩৮) ও কাউছার মণ্ডল (২৫)।

এসময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগজিন, ৩ রাউন্ড তাজা গুলি, ৩টি ডিবি ব্যবহৃত জ্যাকেট, একটি ওয়াকিটকি সেট ও একটি গাড়ি উদ্ধার করেছে র‌্যাব।

মুফতি মাহমুদ খান বলেন, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এভাবে তাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। ক্ষেত্র বিশেষে ভিকটিমদের মারধরও করে তারা। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

##

জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ


অনলাইন ডেস্ক : 
২০১৭ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশ করা হবে।
শনিবার দুপুর ২টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করবেন।
এ বছর জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় ২৮ হাজার ৬শ’ ২৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ২৪ লাখ ৬৮ হাজার ৮শ’ ২০ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে। এরমধ্যে ১১ লাখ ৪৪ হাজার ৭শ’ ৭৮ জন ছাত্র এবং ১৩ লাখ ২৪ হাজার ৪২ জন ছাত্রী রয়েছে।
##

ঝিনাইদহে মসজিদ থেকে নামাজ শেষে বাইরে আসতেই নির্মম খুনের শিকার হলেন ইমাম


নিউজ ডেস্ক : ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে রবিউল ইসলাম (৪৫) নামের এক ইমামকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত রবিউল ইসলাম ওই উপজেলার রাঙ্গীয়ারপতা গ্রামের ইয়াদ আলীর ছেলে। তিনি ভূষিমাল ব্যবসায়ী ছিলেন।

শুক্রবার ভোর ৬টার দিকে কোটচাঁদপুর উপজেলার নওদাঁগা মাঠের কালীগঞ্জ-কোটচাঁদপুর রোডে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে এই রোডে কয়েকটি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। সম্ভবত ইমাম রবিউল ছিনতাইকারীদের হাতে মারা গেছেন। তবে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কোটচাঁদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার সাহা জানান, ভোরে গ্রামের মসজিদে নামাজ আদায় করে কাশিপুর গ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন রবিউল। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরও বলেন, রবিউলকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা এখনই বলা যাবে না। অন্য কোনো গাড়িতে ডাকাতি বা ছিনতাই হয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাঁরা এখনো পাননি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

##

মোবাইলে পরিবারের সাথে কথা বলতে পারবে কারা বন্দিরা : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


নিউজ ডেস্ক : দেশের বিভিন্ন কারাগারে আটক বন্দিরা প্রতিমাসে দুদিন স্বজনদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বুধবার নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে নবনির্মিত গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি এবং জামদানি উৎপাদন কেন্দ্র ‘রিজিলিয়ান্স’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেক কারাবন্দি তাদের পরিবার পরিজনের সঙ্গে কথা বলতে চায়। সেক্ষেত্রে কারাগারে কঠোর নিয়ম মেনে নতুন করে মোবাইল ফোনে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এমনকি প্রয়োজনে কথোপকথনের ভয়েস রেকর্ড সংরক্ষণ করা হবে।

কারাবন্দীদের মানসিক বিকাশের জন্য খেলাধুলাসহ বিনোদনের ব্যবস্থা করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কারাবন্দীরা যাতে স্বজনদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন মনে না করেন সে কারণে মোবাইল ফোনে কথা বলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

সংসদ সদস্য গাজী গোলাম দস্তগীর বীর প্রতীক, সেলিম ওসমান, শামীম ওসমান ও নজরুল ইসলাম বাবু, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ, আইজি প্রিজন বিগ্রেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন ও জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়া, পুলিশ সুপার মঈনুল হক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, বন্দীরা যাতে ভবিষ্যতে কর্ম জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে সেজন্য তাদের বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে উদ্বোধন করা ‘রিজিলিয়ান্স’ কারাবন্দীরাই চালাবেন। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য কারাগারেও এই সুবিধা সংবলিম্ব ইউনিট গড়ে তোলা হবে। কারাগারের ভেতরে মাদকসহ অবৈধ কোনো জিনিস যাতে ঢুকতে না পারে সেজন্য কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এজন্য কারারক্ষীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ ও গেইটে স্ক্যান মেশিন বসানো হয়েছে।

আইজি প্রিজন বলেন, দীর্ঘ মেয়াদী বন্দীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হবে এবং স্বল্প মেয়াদী বন্দীদেরও প্রশিক্ষণ দিয়ে এ কাজে লাগানো হবে। পরিবেশ অনুযায়ী বন্দীদের কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

সংসদ সদস্য ও বিকেএমইএ সভাপতি সেলিম ওসমান বলেন, কারাগার কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বায়ার আসার সুযোগ দিলে এখান থেকে তৈরি পোশাক বিদেশে রফতানি করে বছরে ১০ থেকে ১৫ লাখ ডলার আয় করা সম্ভব।

পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফতুল্লার পঞ্চবটি বিসিক শিল্পনগরীতে ফায়ার সার্ভিস ও এন্ড সিভিল ডিফেন্স কার্যালয় উদ্বোধন করেন।

##

সাতক্ষীরায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৯ জন গ্রেফতার


স্টাফ রিপোর্টার পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাতক্ষীরায়  জামায়াত বিএনপির ৮ নেতা-কর্মীসহ মোট ২৯ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

বিশেষ অভিযান চলে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত ৷ সাতক্ষীরা জেলার ৮টি থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারদের মধ্যে রয়েছে- সাতক্ষীরা সদর থানায় ৪ জন এর মধ্যে জামায়াত কর্মী ১ জন, কলারোয়া থানায় ৪ জন এর মধ্যে জামায়াত কর্মী ১জন, তালা থানায় ৪ জন এর মধ্যে জামায়াত কমী ১ জন, কালিগঞ্জ থানায় রতনপুর ইউপির ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম ও ১ জন বিএনপি কর্মীসহ মোট ৩ জন, আশাশুনি থানায় ৪ জন,  শ্যামনগর থানায় ৩ জন,দেবহাটা থানায় ৪ এর মধ্যে জামায়াত কর্মী ৩ জন ও পাটকেলঘাটা থানায় ৩ জন।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান জানান, গ্রেফতারকৃতদেরকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

##

ফেসবুকে পরিচয়, ভাইবারে বিয়ে; প্রবাসীর গেল ২৬ লাখ টাকা


বার্তা বিভাগ : জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে মোবাইলের মাধ্যমে প্রবাসীর সাথে বিয়ের নাটক সাজিয়ে, টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে কনে ও তার বাবা-মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন- ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য ইমদাদুল হক (৫৭), তার স্ত্রী রুবিনা বেগম ও তাদের মেয়ে কথিত বিয়ের কনে শবনম মুস্তারী এমি।

গেল ১৫ ডিসেম্বর হারুন দেশে ফিরলে বিয়ের কথা অস্বীকার করে মেয়েটি। বিয়ের প্রমাণসহ থানায় মামলা করলে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 
 
পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ হোসেন জানান, ফেসবুকের মাধ্যমে এমি’র পরিচয় হয় লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চর মোহনা গ্রামের কাজী আয়াতুল্লার ছেলে সৌদি প্রবাসী যুবক কাজী হারুন সাগরের সাথে। পরে মোবাইলের ভাইবারে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিয়ের নাটক সাজিয়ে দীর্ঘ ৪ বছরে সৌদিআরব থেকে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন ও বিকাশের মাধ্যমে ওই সৌদি প্রবাসী যুবকের কাছ থেকে ২৬ লাখেরও বেশি টাকা হাতিয়ে নেয় এমি ও তার মা-বাবা। 
 
ফরিদ হোসেন আরও জানান, গত ১৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার মালঞ্চা গ্রামে কথিত শ্বশুর বাড়ি আসলে এমি ও তার মা-বাবা ওই বিয়ের কথা অস্বীকার করে। এরপর প্রমাণাদিসহ পাঁচবিবি থানায় মামলা দায়ের করেন ওই প্রবাসী যুবক। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পুলিশ বাবা, মা ও মেয়েকে তাদের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।

পুরোনো পদ্ধতি বদলে এবার তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে যে অভিনব কায়দায় চলছিলো বিকাশে প্রতারনা


বার্তা বিভাগ : অভিনব পন্থায় মুঠোফোনে বিকাশ জালিয়াতি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে  নেওয়া একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্র আটক হয়েছে র‍্যাবের অভিযানে । সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর ও মহাখালী থেকে বিকাশের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎকারী চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-২।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক সংবাদে এসব তথ্য জানায় এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান-র‌্যাব।

সোমবার সন্ধ্যা ছয়টা’য় র‌্যাব-২ এর একটি আভিযানিক দল রাজধানীর শেরেবাংলা নগর ও মহাখালী থেকে প্রতারক চক্রের সদস্য মোঃ নাসির হোসেন (২২), মোঃ রাসেল (২২), মোঃ হানিফ (২০), মোঃ শাহাব উদ্দিন (২০) কে গ্রেফতার করে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আতককৃতদের জবানবন্দীর বরাতে র‍্যাব জানায়,  তারা একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। এই চক্রের সদস্যরা তাদের নিজেদের একটি নাম্বারে বিকাশ করার সময় কৌশলে এস.ভি.আর. (সিক্রেট ভিডিও রেকর্ডার) ব্যবহার করে বিকাশ রেজিস্ট্রারের ছবি তুলে নেয়। সংগৃহীত ছবি তারা গ্রুপ লীডার এর নিকট পাঠিয়ে দেয়ার পর উক্ত রেজিস্ট্রারে থাকা গ্রাহকদের মধ্যে কয়েকজনকে টার্গেট করে।

র‌্যাব জানায় এই চক্রটি ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে লেনদেনের টাকার চেয়ে বেশি টাকার এসএমএস তৈরী করে এসএমএসটি টার্গেটধারী ব্যক্তির মোবাইলে পাঠায় যা মেসেজের প্রেরক হিসাবে বিকাশ লেখা দেখা যায়। পরে ভুক্তভোগীকে জানালে, তিনি বিকাশের অরিজিনাল মেসেজ হিসাবে তা বিশ্বাস করে প্রতারকদের আহ্বানে সাড়া দেয়।

র‌্যাব আরো জানায়, প্রতারকচক্রটি ভুক্তভোগীকে তার নিকটআত্মীয় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তাই জরুরী টাকার প্রয়োজন ইত্যাদি বুঝিয়ে দ্রুত টাকা পাঠানোর জন্য বাধ্য করে। চক্রটি এভাবে প্রতিমাসে গড়ে আশি হাজার টাকা থেকে এক লাখ টাকা প্রতারণা করে সংগ্রহ করছিল।

জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা আরো জানায়, চক্রের মুলহোতারা ফরিদপুর, গাইবান্ধা ও কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান করে গ্রামের নিরীহ মানুষের নিকট থেকে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়েও নিচ্ছে।

‘তারা ফেসুবক ও ইন্টারনেট ব্যবহার করে পুরাতন মালামাল বিক্রির জন্য আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাকে আকর্ষণ করার পর পণ্যের ২০% টাকা অগ্রিম বিকাশের মাধ্যমে পাঠানোর জন্য বলে। টাকা পাওয়ার পর তারা কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্য ক্রেতার ঠিকানায় পৌঁছে দেবে এবং তখন অবশিষ্ট টাকা পণ্য হাতে পাবার পর পরিশোধ করতে হবে। এভাবে ক্রেতা রাজি হয়ে অগ্রিম অর্থ পাঠানোর পর তারা সিমটি পরিবর্তন করে ফেলে।’

প্রতারক চক্রটির সঠিক ঠিকানা যাতে চিহ্নিত করা না যায় সেজন্য তারা দরিদ্র, মাদকাসেবীদের কাছ থেকে ১০০ টাকার সিম ৫০০ টাকা বা তারও অধিক টাকায় সিম কিনে এ ধরনের অপরাধ করে আসছিল। আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থ্যা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানায় র‌্যাব।

##

আ.লীগ প্রার্থীকে অপহরণ, পড়ে আছে রক্তমাখা মোটরসাইকেল


বার্তা ডেস্ক : 

শেরপুর সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের মেম্বার পদে উপ-নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থী খন্দকার কবির হোসেনকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল সোমবার রাতে ফোন করে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে তাকে অপহরণ করা হয়েছে বলে জানায় তার পরিবার।

আগামী ২৮ ডিসেম্বর ওই ওয়ার্ডে মেম্বার পদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অপহৃত কবির হোসেন দড়িপাড়া গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে এবং ওই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফোন পেয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে খন্দকার কবির হোসেন বাড়ি থেকে বের হন। রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা সকালে তাকে খুঁজতে বের হয়ে স্থানীয় দড়িপাড়া ও দশকাহনিয়া গ্রামের মাঝামাঝি রাস্তার পাশে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি রক্তমাখা অবস্থায় দেখতে পান। পরে ঘটনাটি শেরপুর সদর থানায় জানালে পুলিশ এসে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, মেম্বার প্রার্থী কবির হোসেনের নিখোঁজের ঘটনাটি রহস্যজনক। পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে উদ্ধারের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।

##

শিক্ষার্থীদের সুস্থ্য রাখতে বিভিন্ন স্কুলে মেডিকেল কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে : সিসিক


বার্তা বিভাগ : নগরের প্রতিটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মেডিকেল কার্ড দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে সিসিক। সে লক্ষ্যে সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) ২৭টি ওয়ার্ডের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ মেডিকেল কার্ড বিতরণ করা হবে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য কার্ড চালু হলে শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাবে। এতে করে কোন শিক্ষার্থী অসুস্থ, তা জানতে পারবেন শিক্ষক ও অভিভাবকরা। 

তাছাড়া শিক্ষার্থীদের জীবাণুমুক্ত রাখতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ওয়াশরুম করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, বলেন মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।
 
এ স্কিম চালু করতে শিগগিরই শিক্ষাবিদ ও চিকিৎসকদের নিয়ে আলোচনায় বসবেন উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে সপ্তাহ অথবা পক্ষকালে চিকিৎসকরা বিনামূল্যে শিশুদের রক্ত পরীক্ষাসহ প্রাথমিক পরীক্ষাগুলো করবেন।

মেয়র আরিফুল বলেন, শিক্ষার্থীদের আদর্শবান, চারিত্রিকগুণাবলি ও নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের পাশাপাশি শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। শিক্ষার্থীদের মেধা বেকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই।

শাহপরাণ (র.) প্রি ক্যাডেট একাডেমির চেয়ারম্যান আবু নছুর বকুলের সভাপতিত্বে ও শিক্ষক আমির উদ্দিন পাভেলের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীম, একাডেমির ভাইস চেয়ারম্যান হায়দার মো. ফারুক হোসেন, পরিচালক হুমায়ুন আহমদ মাসুক, অধ্যক্ষ ও পরিচালক আশুতোষ দাস, উপাধ্যক্ষ ও পরিচালক শৈলেন্দ্র চন্দ্র দাস প্রমুখ ৷

##

মাতাল তরুণ-তরুণী হাতিরঝিল খাল থেকে হাসপাতালে


বার্তা বিভাগ : রাজধানীর বিনোদন কেন্দ্র হাতিরঝিলে মদ্যপান করে গাড়ি চালানোর সময়  ব্রিজের রেলিং ভেঙে একটি প্রাইভেটকার নিচে পড়ে তিনজন আহত হয়েছেন। সোমবার রাত সোয়া ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার আতাউর রহমান জানান, রামপুরা মহানগর আবাসিক এলাকা সংলগ্ন হাতিরঝিলের ২ নম্বর ব্রিজের রেলিং ভেঙে একটি প্রাইভেট কার নিচে পড়ে যায়। খবর পেয়ে আমাদের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলেও কাউকে পায়নি। শুধু গাড়িটি ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গাড়িতে থাকা কয়েকজন আহত হলে তাদের আশপাশের হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

রামপুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী শাহান হক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, গাড়িটি রেলিং ভেঙে রাস্তার পাশে পড়েছিল। এতে এক নারীসহ চারজন আহত হন। তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

আমারা আর ছাড় দিতে রাজি নই, সীমান্তে ৩ বিএসএফ সদস্যকে ফেরত দিয়েছে বিজিবি


​বার্তা বিভাগ :

রাজশাহী সীমান্তে আটক তিন সদস্যকে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। সোমবার দুপুরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

বিজিবি-১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল ইফতেখার শামীম আল মাসুদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, বিজিবি-বিএসএফের অধিনায়ক পর্যায়ে এই পতাকা বৈঠক হয়। সেখানে বিএসএফের অবৈধ অনুপ্রবেশের কড়া প্রতিবাদ জানানো হয়। এরপর আটক বিএসএফ সদস্যদের ফেরত পাঠানো হয়। বিএসএফ কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে করে নিয়ে যান।

এর আগে সোমবার ভোররাতে রাজশাহী শহরের ওপারে পবা উপজেলার হাজির বাথান এলাকা থেকে চর মাঝারদিয়াড় সীমান্ত ফাঁড়ির সদস্যরা বিএসএফ জওয়ান এসআই হরনাথ সিং, কনস্টেবল রাখেস কুমার ও সন্তোষ কুমারকে আটক করে। তারা ভারতের হাড়ুডাঙা ক্যাম্পে কর্মরত। বাংলাদেশে আটকের পর তাদের চর মাঝাড়দিয়াঢ় সীমান্ত ফাঁড়িতে রাখা হয়।

সেখানকার সুবেদার আবু তালেব জানান, হাজির বাথান সীমান্ত এলাকায় ভারতের কাঁটাতারের বেড়া নেই। তাই সেখান দিয়ে গরু আনেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা। সোমবার ভোরে বিএসএফ সদস্যরা গরু ব্যবসায়ীদের ধাওয়া দিতে দিতে জিরোলাইন থেকে বাংলাদেশের ভেতরে প্রায় এক কিলোমিটার ঢুকে পড়েন। এ সময় স্থানীয়রা খবর দিলে বিজিবি সদস্যরা গিয়ে তাদের আটক করে।

##

প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে মোবাইল কোম্পানির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি :

মোবাইল ফোন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে শত শত অভিযোগ করছেন গ্রাহকরা। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগের পাহাড় জমেছে। ভোক্তাদের অভিযোগ নির্দিষ্ট প্যাকেজ কিনে প্রতারিত হয়েছেন তারা। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ ইন্টারনেট সেবার বিভিন্ন অফার নিয়ে। বেসরকারি মোবাইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ, রবি, বাংলালিংক, এয়ারটেল ছাড়াও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান টেলিটকের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে। গ্রাহকদের অভিযোগ নির্দিষ্ট প্যাকেজ কিনলেও বাড়তি অর্থ কেটে নেওয়া হচ্ছে। টাকা দিয়েও সেবা পাননি অনেকেই। ফলে অফারের নামে প্রতারণা করছেন মোবাইল অপারেটররা।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত জুন থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে ৫৯১টি লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন গ্রাহকরা। এরমধ্যে গ্রামীণ ফোনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়েছে ১৬৬টি, রবি অজিয়াটার বিরুদ্ধে ১৫১টি, বাংলালিংক এর বিরুদ্ধে ১১৫টি, এয়ারটেলের বিরুদ্ধে ১২৮টি এবং টেলিটকের বিরুদ্ধে জমা পরেছে ৩১টি অভিযোগ।

একজন অভিযোগকারী জানিয়েছেন, ২৮ দিন মেয়াদে ৯৮ টাকায় ১.৫ জিবি ইন্টারনেট ডাটা অফার দেখে তিনি সেবাটি ক্রয় করেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তিনি মাত্র এক জিবি ডাটা পেয়েছেন। এরপর তাকে বাড়তি অর্থ গুণতে হয়েছে। অপর একজন অভিযোগ করেছেন, ২৮ টাকায় ৫০ এমবি ইন্টারনেট ডাটায় অফার দেওয়া হয়েছে যে একটি লিংকে গেলে সারা দিন বাংলা নাটক দেখা যাবে। কিন্তু তিনি ওই লিংকে গিয়ে কোনো নাটক দেখতে পাননি। প্রতিদিন ২ টাকার বিনিময়ে হেলথ টিপস পাওয়া যাবে এমন অফার গ্রহণ করেন অপর একজন গ্রাহক। সার্ভিসটি বন্ধ করতে গেলে নির্ধারিত শর্টকোট দিলেও তা বন্ধ হয়নি এবং চালু থাকার কারণে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এরকম শত শত অভিযোগ জমা পড়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম লস্কর ইত্তেফাককে বলেন, একটি মোবাইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান উচ্চ আদালতে রিট করার কারণে গত মে মাসের পর থেকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এ সংক্রান্ত অভিযোগের নিষ্পত্তি করতে পারেনি। তবে ভোক্তারা এখনও লিখিত অভিযোগ জানাচ্ছেন। তবে মোবাইল সেবা ছাড়া অন্যান্য ভোক্তা পর্যায়ে বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে অধিদপ্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন মোবাইল কোম্পানির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের বিপরীতে প্রায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। যার ২৫ ভাগ অর্থ সংশ্লিষ্ট অভিযোগকারী পেয়েছেন। মোবাইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রবি অজিয়াটা লিমিটেড গত মে মাসে এ ধরনের জরিমানার বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করে, যেটি শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। ওই রিটের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর মোবাইল কোম্পানির বিরুদ্ধে নতুন কোন অভিযোগের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে পারছে না। ফলে শত শত গ্রাহক অভিযোগ জানালেও তার সুরাহা হচ্ছে না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রবি আজিয়াটা লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পর্যায়ের কারো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভোক্তাদের সার্বিক বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে কনজ্যুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর প্রেসিডেন্ট ও দুদকের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান ইত্তেফাককে বলেন, এ ধরনের বিষয়গুলো দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন। কেননা, মোবাইল সেবার সাথে সাধারণ ভোক্তারা জড়িত। অনেক সময় নানা প্যাকেজ দিয়েও তারা প্রকৃত সেবা দেয় না। ফলে লাখ লাখ গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হন। ভোক্তারা অধিদপ্তরে এর সামান্যই অভিযোগ জানিয়ে থাকেন। কেউ মূল্য পরিশোধের পর সেবা না পেলে তার প্রতিকার হওয়া প্রয়োজন। এমন উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন যাতে ভবিষ্যতে আর নুতন করে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হতে না পারেন। তিনি আরো বলেন, সাধারণ গ্রাহক সংশ্লিষ্ট হওয়ার কারণে উচ্চ আদালতে রিটের বিষয়টি দ্রুত সমাধান হওয়া প্রয়োজন।

##

বিএনপি অসত্য নিয়ে রাজনীতি করে


নিউজ ডেস্ক 

বিএনপি অসত্য নিয়ে রাজনীতি করে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

তিনি বলেন, রংপুরের নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়েছে, আওয়ামী লীগ হেরেছে তারপরও বিএনপি বলছে কারচুপি হয়েছে। এটা মিথ্যাচার ছাড়া কিছুই না। এখানো তাদের সমালোচনা থেমে নেই। তবে দেশের মানুষ ভালো করেই জানে বিএনপি মিথ্যা কথা বলে।

শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে ভোলার বাংলাবাজার ফাতেমা খানম ডিগ্রি কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও ল্যাপটপ বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভোলার উন্নয়ন নিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ভোলায় যে পরিমাণ গ্যাস মজুদ রয়েছে তা ব্যবহারের মধ্য দিয়ে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠবে। এ জেলা হবে উন্নয়নের রোল মডেল।

কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি মইনুল হোসেন বিপ্লবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু, ভোলা পৌর মেয়র মনিরুজ্জামান মনির, ড. তসলিমা আহমেদ জামান মুন্নী, অধ্যক্ষ ফারুক আহমেদ, অধ্যক্ষ রুহুল আমিন জাহাঙ্গীর, অধ্যক্ষ আফসার উদ্দিন বাবুল প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসক মো. সেলিম উদ্দিন, পুলিশ সুপার মো. মোকতার হোসেন, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম গোলদার, প্রবীণ সাংবাদিক আবু তাহের ও আওয়ামী লীগ নেতা হামিদুল হক বাহালুল মোল্লা।

এর আগে সকালে মন্ত্রী একই এলাকায় ১০ শয্যা বিশিষ্ট ফাতেমা খানম মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন। ১৯৯৭ সালে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ তার মায়ের নামে ফাতেমা খানম ডিগ্রি কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন। কলেজটি ২০১৭ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় জেলায় সেরাসহ বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সেরা তালিকায় স্থান করে নেয়।

##

সালমান খানের বাড়িতে বাড়তি পুলিশ


অনলাইন ডেস্ক : একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে সম্প্রতি ভারতের তফসিলি সম্প্রদায় সম্পর্কে কথিত অবমাননাকর শব্দ ব্যবহারের কারণে বেশ ঝামেলায় পড়েছেন বলিউড অভিনেতা সালমান খান। তাই অধিক নিরাপত্তার জন্যে সালমানের বাড়িতে বাড়তি পুলিশ পাঠিয়েছে মুম্বাইয়ের আন্ধেরি থানা।

গতকাল (২৩ ডিসেম্বর) টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, সালমান ও অভিনেত্রী শিল্পা শেঠীর বিরুদ্ধে আন্ধেনি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে তফসিলি সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে। অভিযোগে বলা হয়, এই দুই বলিউড তারকা ভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠানে তফসিলি সম্প্রদায়ের লোকদের বোঝাতে অপমানসূচক ‘ভাঙ্গি’ শব্দ ব্যবহার করেছেন।

এতে আরো বলা হয়, একটি চলচ্চিত্রের প্রচারণার সময় তাঁর নাচের দক্ষতার কথা বলতে গিয়ে এই শব্দটি ব্যবহার করেছেন সালমান খান। অন্যদিকে, ঘরে নিজেকে দেখতে কেমন দেখায় এমন প্রশ্নের জবাবে শিল্পা শেঠী এই শব্দটি ব্যবহার করেছেন।

এই সম্প্রদায়ের একজন বিশিষ্ট নেতা হারমান সিং ভারতের তফসিলি সম্প্রদায়ের জাতীয় কমিশনের (এনসিএসসি) কাছে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেছেন। ফলে কমিশনের তরফ থেকে দেশটির তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং দিল্লি ও মুম্বাইয়ের পুলিশ কমিশনারকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে তফসিলি সম্প্রদায়ের লোকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে বলেই মুম্বাইয়ে সাল্লু ভাইয়ের বাড়িতে আজ বাড়তি পুলিশ।

##

‘পুলিশের কথা একটাই- ৫০ হাজার দেন’


বার্তা বিভাগ :

মাঝে মধ্যেই সংবাদমাধ্যমে কিংবা সোশাল মিডিয়ায় পুলিশের মহানুভবতার গল্প শুনি আমরা। এদেশের পুলিশ বাহিনীকে নিয়ে তখন আমাদের গর্ববোধ হয়।

কিন্তু এই আইশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হয়রানিমূলক আচরণের অভিযোগের শেষ নেই। মাঝে মধ্যে দুই একটা ভালো গল্প আমাদের আশাবাদী করলেও পুলিশকে নিয়ে সাধারণ মানুষের আক্ষেপ সবাইকে হতাশ করে। সোশাল মিডিয়ায় এমনই এক হতাশার কথা তুলে ধরেছেন এক ভুক্তভোগী।

একটি গ্রুপে আল্লামা ইকবার নামের এক ফেসবুক ব্যবহারকারী পোস্টটি দিয়েছেন। নিজের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন। থানায় আটকে রাখা সিএনজি’র ছবিও তুলে প্রকাশ করেছেন তিনি ফেসবুক। তার পোস্টটি তুলে ধরা হলো-

“সব পুলিশ এক না। জি দাদা এমনটা সবাই বলে…। এই পর্যন্ত এই ভালো পুলিশ গুলার দেখা পাইলাম না…।

ছবিটা শ্যামপুর থানার ভেতরে ২৩/১০/২০১৭ রাত ১.৩০ টায় তোলা…

সিএনজিটা আমার। পুলিশ থানায় নিয়ে আসছে… অপরাধ- ড্রাইভার ছিনতাই করতে গিয়েছিল…। এলাকার মানুষ ধরে ফেলসে। ড্রাইভার গাড়ি থেকে বের হয়ে দৌড়ে এলাকা পাড়…ধরতে পারসে শুধু গাড়ি।

থানায় গেলাম রাত ৯টায় , পুলিশ বাবুর সাগরেদ এসে বললো, ‘এই গাড়ী ২০ লাখ টাকা দামের… গাড়ি নিতে হলে ১ লাখ দিয়ে নিয়ে যান… না হয় মামলা দিবো । আর মামলা দিলে ১ লাখের বেশি খরচ আছে’।

রাত ১.৩০ টায় গেলাম ২০ হাজার নিয়ে… দারোগা বলে, ‘এত কথা বুঝি না ৫০ হাজার দিলে গাড়ি পাবেন, না হয় গাড়ির নামে মামলা দিবো’।

এই হল আমাদের পুলিশ… ছিনতাই করতে গেসে ড্রাইভার, সব মামলা গাড়ির উপর… তাও আবার ছিনতাই করতে পারে নাই… না আছে ভিক্টিম, না আছে কোনো অভিযোগ… কিন্তু কথা একটাই- ৫০ হাজার দেন।

এরকম ঘটনা অহরহ…। সেপ্টেম্বর মাসের আরেকটা ঘটনা বলি, গাড়ির ড্রাইভারকে নেশা করিয়ে ২ গাড়ি চোর গাড়ি নিয়ে পালাচ্ছিল… চেক-পোস্ট এ ধরা পরে যায় তারা…।

শুকরিয়া করতে করতে থানায় গেলাম , এবারের মত হয়তো বাঁচা গেল। পুলিশ বাবু বললেন, ‘চোর কে তো ১ লাখ দিয়ে গাড়ি ফিরিয়ে আনতেন , আমাদের ৫০ হাজার দিবেন না?” ৫০ হাজার দিয়েই গাড়ি আনতে হইছে…।

আর সিএনজি চোর! ডিসেম্বর এর ৭ তারিখ আর ডিসেম্বর এর ২০ তারিখে ২টা গাড়ি চুরি হইছে। একটাকে ৮০ হাজার আর আরেকটাকে ৭৫ হাজার দিয়ে গাড়ি ফিরিয়ে আনসি…।

নভেম্বরের ২৮ তারিখে মিরপুর-১ এ রাত ২টায় গাড়ি আটকালো পুলিশ… অভিযোগ গাড়ির কাগজপত্র নকল। গেলাম রাত ৩টায়, সব চেক করে দেখালাম। এবার বুজলো সব আসল…শেষে চা-পানি খাওয়ার জন্য দাবি করলো ৫০০০। না দিয়ে আসতে পারি নাই।

উপরের সব ঘটনাগুলো নিজের সাথে ঘটা, এরকম ডজন ডজন ঘটনা আছে…
এই চোর আর পুলিশের মধ্যে পার্থক্যটা কই?

কোনদিন ‘সব পুলিশ এক না’ এমন একজন কে পেলাম না…দেশের ব্যবসায়ীরা সর্বস্বান্ত হলে তাদের কি আসে যায়।

আল্লাহ বাচিয়ে রাখুক ২ পক্ষকেই, দেশে আইনের শাসন চলছে। “

তার এই পোস্টে অনেকেই তর্ক-বিতর্ক চালাচ্ছেন। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পুলিশের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।

সূত্র : ফেসবু

আওয়ামী লীগের থেকে নির্বাচনী এলাকায় জনসংযোগ করতে বলা হয়েছে যাদেরকে


বার্তা বিভাগ :আওয়ামী লীগের থেকে নির্বাচনী এলাকায় জনসংযোগ করতে বলা হয়েছে যাদেরকে। সরকারি-বেসরকারি একাধিক জরিপের মাধ্যমে নামগুলো বাছাই করা হয়েছে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য এ ১৫১ প্রার্থী জনসংযোগ করতে বলা হয়েছে । চূড়ান্ত তালিকায় যারা রয়েছেন তাদের অনেককেই ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড থেকে মনোনয়নের বিষয়টি জানিয়ে নির্বাচনী এলাকায় জনসংযোগ করতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র খবরটি নিশ্চিত করেছে।

জাতীয় সংসদের সংসদীয় আসনের ক্রমানুসারে আওয়ামী লীগের ১৫১ জন সম্ভাব্য প্রার্থী হলেন নুরুল ইসলাম সুজন, পঞ্জগড়-২; রমেশ চন্দ্র সেন, ঠাকুরগাঁও-১; মনোরঞ্জন শীল গোপাল, দিনাজপুর-১; খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, দিনাজপুর-২; ইকবালুর রহিম, দিনাজপুর-৩; মোস্তাফিজুর রহমান, দিনাজপুর-৫; আসাদুজ্জামান নূর, নীলফামারী-২; মোতাহার হোসেন, লালমনিরহাট-১; নুরুজ্জামান আহমেদ, লালমনিরহাট-২; টিপু মুনশি, রংপুর-৪; মাহবুব আরা বেগম গিনি, গাইবান্ধা-২; ইউনুস আলী সরকার, গাইবান্ধা-৩; আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, জয়পুরহাট-২; আবদুল মান্নান, বগুড়া-১; হাবিবর রহমান, বগুড়া-৫; সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-১; শহীদুজ্জামান সরকার, নওগাঁ-২; ইসরাফিল আলম, নওগাঁ-৬; ওমর ফারুক চৌধুরী, রাজশাহী-১; এনামুল হক, রাজশাহী-৪; আবদুুল ওয়াদুদ, রাজশাহী-৫; শাহরিয়ার আলম, রাজশাহী-৬; শফিকুল ইসলাম শিমুল, নাটোর-২; জুনাইদ আহমেদ পলক, নাটোর-৩; মোহাম্মদ নাসিম, সিরাজগঞ্জ-১; হাবিবে মিল্লাত, সিরাজগঞ্জ-২; হাসিবুর রহমান স্বপন, সিরাজগঞ্জ-৬; মকবুল হোসেন, পাবনা-৩; গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স, পাবনা-৫; ফরহাদ হোসেন, মেহেরপুর-১; মাহবুব-উল আলম হানিফ, কুষ্টিয়া-৩; আবদুর রউফ, কুষ্টিয়া-৪; আলী আজগর, চুয়াডাঙা-২; তাহজীব আলম সিদ্দিকী, ঝিনাইদাহ-২; আনোয়ারুল আজীম আনার, ঝিনাইদহ-৪; শেখ আফিল উদ্দীন, যশোর-১; মনিরুল ইসলাম, যশোর-২; কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-৩; স্বপন ভট্টাচার্য্য, যশোর-৫; বীরেন শিকদার, মাগুরা-২; কবিরুল হক, নড়াইল-১; শেখ হেলাল উদ্দীন, বাগেরহাট-১; তালুকদার আবদুুল খালেক, বাগেরহাট-৩; পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা-১; এস এম মোস্তফা রশিদী, খুলনা-৪; নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, খুলনা-৫; মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-২; আ ফ ম রুহুল হক, সাতক্ষীরা-৩; এস এম জগলুল হায়দার, সাতক্ষীরা-৪; ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, বরগুনা-১; আ স ম ফিরোজ, পটুয়াখালী-২; আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, পটুয়াখালী-৩; তোফায়েল আহমেদ, ভোলা-১; নুরুন্নবী চৌধুরী, ভোলা-৩; আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, ভোলা-৪; আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, বরিশাল-১; তালুকদার মো. ইউনুস, বরিশাল-২; পংকজ দেবনাথ, বরিশাল-৪; আমির হোসেন আমু, ঝালকাঠি-২; আবদুুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-১; হাসান ইমাম খান, টাঙ্গাইল-৪; ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৫; অনুপম শাহজাহান জয়, টাঙ্গাইল-৮; আবুল কালাম আজাদ, জামালপুর-১; মির্জা আজম, জামালপুর-৩; আতিউর রহমান আতিক, শেরপুর-১; মতিয়া চৌধুরী, শেরপুর-২; জুয়েল আরেং, ময়মনসিংহ-১; ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল, ময়মনসিংহ-১০; ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল, নেত্রকোনা-৫; সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-১; রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, কিশোরগঞ্জ-৪; আফজাল হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৫; নাজমুল হাসান, কিশোরগঞ্জ-৬; এ এম নাঈমুর রহমান, মানিকগঞ্জ-১; মমতাজ বেগম, মানিকগঞ্জ-২; জাহিদ মালেক, মানিকগঞ্জ-৩; মৃণাল কান্তি দাস, মুন্সীগঞ্জ-৩; কামরুল ইসলাম, ঢাকা-২; নসরুল হামিদ, ঢাকা-৩; সাবের হোসেন চৌধুরী, ঢাকা-৯; শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা-১০; এ কে এম রহমতউল্লাহ, ঢাকা-১১; আসাদুজ্জামান খান, ঢাকা-১২; জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা-১৩; আসলামুল হক আসলাম, ঢাকা-১৪; কামাল আহমেদ মজুমদার, ঢাকা-১৫; ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা, ঢাকা-১৬; এনামুর রহমান, ঢাকা-১৯; আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক, গাজীপুর-১; জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর-২; বর্তমান এমপি রহমত আলীর ছেলে জামিল হাসান দুর্জয়, গাজীপুর-৩; সিমিন হোসেন রিমি, গাজীপুর-৪; মেহের আফরোজ চুমকি, গাজীপুর-৫; নজরুল ইসলাম, নরসিংদী-১; কামরুল আশরাফ খান, নরসিংদী-২; সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, নরসিংদী-৩; নুরুল মজিদ হুমায়ুন, নরসিংদী-৪; গোলাম দস্তগীর গাজী, নরায়ণগঞ্জ-১; নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-২; শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-৪; কাজী কেরামত আলী, রাজবাড়ী-১; জিল্লুল হাকিম, রাজবাড়ী-২; আবদুর রহমান, ফরিদপুর-১; খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ফরিদপুর-৩; মুহাম্মদ ফারুক খান, গোপালগঞ্জ-১; শেখ ফজলুল করিম সেলিম, গোপালগঞ্জ-২; শেখ হাসিনা, গোপালগঞ্জ-৩; নুর ই আলম চৌধুরী লিটন, মাদারীপুর-১; শাজাহান খান, মাদারীপুর-২; বিএম মোজাম্মেল হক, শরীয়তপুর-১; নাহিম রাজ্জাক, শরীয়তপুর-৩; এমএ মান্নান, সুনামগঞ্জ-৩; মুহিবুর রহমান মানিক, সুনামগঞ্জ-৫; মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, সিলেট-৩; ইমরান আহমেদ, সিলেট-৪; নুরুল ইসলাম নাহিদ, সিলেট-৬; শাহাব উদ্দিন, মৌলভীবাজার-১; আবদুল মজিদ খান, হবিগঞ্জ-২; আবু জহির, হবিগঞ্জ-৩; মাহবুব আলী, হবিগঞ্জ-৪; র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩; আনিসুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪; এ বি তাজুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬; সুবিদ আলী ভূইয়া, কুমিল্লা-১; সেলিমা আহমদ, কুমিল্লা-২; ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন, কুমিল্লা-৩; রাজী মোহাম্মদ ফখরুল, কুমিল্লা-৪; আবদুল মতিন খসরু, কুমিল্লা-৫; আ ক ম বাহাউদ্দীন, কুমিল্লা-৬; ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত কুমিল্লা-৭; তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা-৯; আ হ ম মুস্তফা কামাল, কুমিল্লা-১০; মুজিবুল হক, কুমিল্লা-১১; মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, চাঁদপুর-২; শামসুল হক ভূইয়া, চাঁদপুর-৪; মোরশেদ আলম, নোয়াখালী-২; মামুনুর রশীদ কিরণ, নোয়াখালী-৩; একরামুল করিম চৌধুরী, নোয়াখালী-৪; ওবায়দুল কাদের, নোয়াখালী-৫; ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, চট্টগ্রাম-১; মাহফুজুর রহমান, চট্টগ্রাম-৩; হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম-৭; আবদুল লতিফ, চট্টগ্রাম-১১; শামসুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২; সাইফুজ্জামান চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩; নজরুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৪; আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার-২; সাইমুম সরওয়ার কমল, কক্সবাজার-৩; আবদুর রহমান বদি, কক্সবাজার-৪; বীর বাহাদুর উ শৈ সিং, পার্বত্য বান্দরবান।

##

জেনে রাখুন প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়েতে শাস্তি কী


আইন—কানুন :রোজিনা খাতুন (ছদ্মনাম)। একটি গার্মেন্টসে অপারেটর হিসেবে কাজ করেন। দুই বছর আগে রহিম মিয়া নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে হয়। এরপর ঘরে একটি মেয়েসন্তান জন্ম নেয়। কিন্তু রোজিনা জানতে পারেন তাঁর স্বামী আরেকটি বিয়ে করেছেন তাঁকে না জানিয়ে।
এ বিষয়ে রোজিনা খাতুন জানার পর তাঁর স্বামীকে জিজ্ঞাসা করলে স্বামী তাঁকে খোরপোষ দেবেন না বলে হুমকি দেন। এ ক্ষেত্রে রোজিনা বেশ ভাবনায় পড়ে যান। তিনি এক আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান পেলেন। স্বামী যেহেতু আরেকটি বিয়ে করেছেন, সে ক্ষেত্রে আদালতে মামলা করলে প্রতিকার পাবেন।

আইন অনুযায়ী এক স্ত্রীর বর্তমানে আরেকটি বা একাধিক বিয়ে করাকে বহুবিবাহ বলে। আইন অনুযায়ী এক স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় আরেকটি বিয়ে করা যাবে না। তবে কোনো ব্যক্তির যদি এক স্ত্রী বর্তমান থাকাকালে আরেকটি বিয়ে করার প্রয়োজন হয়, তাহলে তাঁকে তাঁর বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীদের মধ্যে শেষ স্ত্রীর এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে আরেকটি বিয়ে করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করতে হবে।

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১-এর ৬ ধারামতে, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে সালিসি পরিষদের কাছে অনুমতি না নিলে বিয়ে নিবন্ধন হবে না। অনুমতির জন্য ফি দিয়ে চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করতে হবে এবং আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিয়ের অনুমতি দিতে যেসব বিষয়ের প্রতি বিবেচনা করা হবে তার মধ্যে অন্যতম হলো ১. বর্তমান স্ত্রীর বন্ধ্যাত্ব, ২. শারীরিক মারাত্মক দুর্বলতা, ৩. দাম্পত্য জীবন সম্পর্কিত শারীরিক অযোগ্যতা, ৪. দাম্পত্য অধিকার পুনর্বহালের জন্য আদালত থেকে প্রদত্ত কোনো আদেশ বা ডিক্রি বর্জন, ৫. মানসিকভাবে অসুস্থতা ইত্যাদি।

অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে শাস্তি কী
কোনো পুরুষ যদি সালিসি পরিষদের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করেন, তবে তিনি অবিলম্বে তাঁর বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীদের আশু বা বিলম্বিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করবেন। বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীরা আদালতে মামলা করে বিবাহবিচ্ছেদ করতে পারেন।

দ্বিতীয় বিয়ে করার কারণে প্রথম স্ত্রী আলাদা বসবাস করেও ভরণপোষণ পাবেন। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বসবাসরত নাবালক সন্তানদের ভরণপোষণ দিতে বাবা আইনত বাধ্য।

ভরণপোষণের পাশাপাশি স্ত্রী ও সন্তানরা উত্তরাধিকারীর অধিকার লাভ করবেন। মোহরানার টাকা পরিশোধ করা না হলে বকেয়া ভূমি রাজস্ব আদায়ের মতো আদায় করা হবে।

এ ছাড়া অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে এক বছর পর্যন্ত জেল ও ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
পাশাপাশি দণ্ডবিধি আইন ১৮৬০-এর ৪৯৪-এর বিধানমতে, স্বামী যদি স্ত্রীর জীবনকালে পুনরায় বিয়ে করেন তবে সেই ব্যক্তি যে কোনো বর্ণনার কারাদণ্ডে যার মেয়াদ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে, তদুপরি অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।

লেখক : আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

##

ছাত্রলীগের স্কুল কমিটির বিরোধিতায় ওবায়দুল কাদের


নিউজ ডেস্ক :সারা দেশে স্কুল পর্যায়ে ছাত্রলীগের কমিটি গঠনের বিরোধিতা করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ছাত্রলীগের সাবেক এই সভাপতি স্কুলের শিক্ষার্থীদের বই-পুস্তকের পরিবর্তে ‘রাজনীতির বোঝা’ দেওয়ায় সংগঠনটির বর্তমান নেতাদের সমালোচনাও করেছেন।

গত ২২ নভেম্বর ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সারা দেশে স্কুল পর্যায়ে কমিটি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

ছাত্রলীগের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা আসে বিএনপির তরফ থেকে। তারা বলছে, স্কুল কমিটি করার মধ্যে দিয়ে শিক্ষার্থীদের হানাহানিতে জড়ানো হচ্ছে।

শনিবার বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিজয় দিবস ও শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও ছাত্রলীগের স্কুল কমিটির সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, “সব বিষয়ে আলোচনা করা ভালো। ছাত্রলীগের স্কুল কমিটি ধারণাটি ঠিক না। এই মুহূর্তে একটি সমালোচনা ডেকে আনার দরকার নেই। স্কুল কমিটির উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকে সমালোচনা শুরু হয়ে গেছে।

“এমনিতেই ছেলেমেয়েদের পিঠে বই-পুস্তকের বোঝা, তার উপর রাজনীতির বোঝা চাপানোর দরকার নেই।”

তিনি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্রলীগকে আরও পরিশীলিত হওয়ারও আহ্বান জানান।

“কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্র রাজনীতি থাকতে পারে। এসব জায়গায় ছাত্রলীগের কমিটি আরও পরিশীলিত করতে হবে। সেখানে যেন কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়, সে বিষয়ে ছাত্রলীগকে সতর্ক থাকতে হবে। সামনে নির্বাচন, তাই ছাত্রলীগের কাজের জন্য দলের যেন কোনো ক্ষতি না হয়।”

ছাত্রলীগের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, “এ ধরনের আলোচনা সভাগুলো ঘরোয়া সেমিনার ধরনের না হওয়াই ভালো। এমন আলোচনা সভা বটতলায় হওয়া ভালো। কারণ, এমন মিলনায়তনে একটি হল শাখা ছাত্রলীগের কমিটির নেতাকর্মীদের স্থান সংকুলান হয় না। এ ছাড়া যারা প্রতিদিন একই কথা শুনে অভ্যস্থ, তাদের বাদ দিয়ে ছাত্রলীগের প্রতি যেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা আগ্রহী হয়, সে জন্য বটতলায় এসব অনুষ্ঠান হলে ভালো। ছাত্রলীগের গুণগত গভীরতা নিয়ে কিছু কিছু জায়গায় আমার প্রশ্ন আছে।”

রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বিষয়ে সংবাদপত্রগুলোর ভূমিকারও সমালোচনা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, “রংপুর নিয়ে কত রকমের লেখা হচ্ছে। কেউ কেউ আদাজল খেয়ে রাজনৈতিক কারণে নেমে দাঁড়িয়েছে আমাদের বিরুদ্ধে। সেটা আমরা বুঝি। ফার্স্ট পেজ, ব্যাক পেজ সরকারের বিরুদ্ধে যা লেখা যায়।

“রংপুরে আমরা হেরেছি, কিন্তু গতবারের চেয়ে ৩৫ হাজার ভোট বেশি পেয়েছি সেটা তো কেউ লেখেনি। যারা সমালোচনা করেন, তাদের কথা বলছি।”

বিএনপিকে ‘অদ্ভুত’ দল আখ্যায়িত করে কাদের বলেন, “বিএনপি জিতলে বলে নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা আছে। হেরে গেলে বলে আস্থা নেই। কুমিল্লায় আস্থা ছিল, রংপুরে আস্থা নেই।

“কেমনে আপনাদের টেনে তুলবে? আপনারা সেকেন্ড না তো, আপনারা থার্ড। থার্ডকে টেনে তুলবে কীভাবে? তাহলে কি জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসন আপনাদের দিতে হবে- আস্থা রাখার জন্য? অদ্ভুত এক দল বিএনপি।”

ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম সভায় বক্তব্য রাখেন।

##

সাতক্ষীরায় ২ লক্ষাধিক শিশু খাবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস


স্টাফ রিপোর্টার: সাতক্ষীরার দুই লাখ ৩০ হাজার ২৯৮ শিশুকে শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানো হবে।

এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. আরিফুজ্জামান জানান, ২৩ ডিসেম্বর জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে সাতক্ষীরা জেলার সাতটি উপজেলার ৭৮ ইউনিয়ন ও দু’টি পৌরসভার দুই হাজার ৩১টি কেন্দ্রে মোট দুই লাখ ৩০ হাজার ২৯৮ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ২৪ হাজার ৭৫২ শিশুকে নীল রঙের ও দুই লাখ পাঁচ হাজার ৫৪৬ শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এ কাজে ৬২১ জন সরকারি স্বাস্থ্যকর্মীর পাশাপাশি ২১৮ জন বেসরকারি স্বাস্থ্যকর্মী ও চার হাজার ৬২ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবেন।

কর্মশালায় আরও বলা হয়, ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, রাতকানা রোগ হয়, ত্বকের শুষ্কতা কমে যায়, সর্বোপরি শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়। তাই এটি শিশুদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. ফরহাদ জামিলের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথির অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. কাজী হাবিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি আবদুল ওয়াজেদ কচি ও সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক জগদীশ চন্দ্র হাওলাদার।

##

অনন্ত জলিলের সঙ্গে উমরায় সাকিব


বার্তা বিভাগ : সংযুক্ত আরব আমিরাতে টি-টেন লিগে অংশ নিয়ে সৌদি আরবে উমরাহ করতে গেছেন টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তার সঙ্গে আছেন চলচ্চিত্র তারকা অনন্ত জলিল। আছেন আরেক ক্রিকেটার শাহরিয়ার নাফিস।

বুধবার মুফতি উসামা তার ফেসুবক পেইজে সাকিব আল হাসানকে উল্লেখ করে একটি ছবি আপলোড করেছেন। এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে সাকিব আল হাসান, অনন্ত জলিল, শাহরিয়ার নাফিস ও মুফতি উসামা সহ আরও একজন বসে আছেন। ছবির ক্যাপশনে মুফতি উসামা লিখেছেন, ‘মদিনায় সাকিব আল হাসান, মুফতি উসামা, শাহরিয়ার নাফিস ও অনন্ত জলিল।’

বিপিএল শেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতে টি-টেন লিগ খেলতে যান সাকিব আল হাসান। সেখানে তিনি খেলেন কেরালা কিংসের হয়ে। তার দল চ্যাম্পিয়ন হয়। টুর্নামেন্টে কেরালা কিংসের হয়ে প্রতিটি ম্যাচই খেলেছেন সাকিব আল হাসান।

##

প্রধানমন্ত্রীকে খালেদা জিয়ার উকিল নোটিস


বার্তা বিভাগ : বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও তার পরিবারের বিদেশে সম্পদ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে উকিল নোটিস পাঠিয়েছেন বেগম খালেদা জিয়া।

বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এমন অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন দাবি করে বেগম খালেদা জিয়া তার আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকনের মাধ্যমে এই উকিল নোটিস পাঠিয়েছেন।’

মধ্যপ্রাচ্যে খালেদা জিয়া এবং তার পরিবারের সম্পদ রয়েছে, এমন অভিযোগ ছিল আওয়ামী লীগের। কম্বোডিয়া থেকে এসে সংবাদ সম্মেলনেও এ নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

e557f77ecff3e9350d1967148415187f1365177410.png

ওই সম্মেলনের পর বিএনপি প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ অস্বীকার করে এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে আইনি নোটিশটি পড়ে শোনান বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল জানিয়েছেন, উকিল নোটিশের জবাব পেলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেবে বিএনপি।

##

জাতীয় পতাকার আদলে কেক নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষামন্ত্রী


বার্তা বিভাগ : বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকার আদলে তৈরি কেক না কেটে উল্টো ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

জাতীয় পতাকার আদলে কেক তৈরির সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

ওই ধরনের কেক কীভাবে মন্ত্রীর সামনে গেল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক এস এম ওয়াহিদুজ্জামান।

সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিজয় দিবস উপলক্ষে সোমবার বিকালে আলোচনা সভার আয়োজন করে। ওই সভা আয়োজনের দায়িত্বে ছিল মাউশি।

আলোচনা সভায় উপস্থিত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে মঙ্গলবার মুঠোফোনে বলেন, “সন্ধ্যার খানিক আগেই আলোচনা সভা শেষ হয়। পরে নাস্তার টেবিলে জাতীয় পতাকার আদলে তৈরি কেকটি এনে তা মন্ত্রীকে কাটতে অনুরোধ করা হয়।

“মন্ত্রী কেকটি দেখেই ক্ষেপে ওঠেন। তিনি ধমকের সুরে বলেন, আমি জাতীয় পতাকা কাটব না কি? এই কেক এখানে কে এনেছে?”

মাউশির কর্মকর্তারা সঙ্গে সঙ্গেই কেকটি সরিয়ে ফেলেন জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, পরে আর নাস্তা না করেই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন শিক্ষামন্ত্রী।

মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ওয়াহিদুজ্জামান মঙ্গলবার রাতে সাংবাদিকদের জানান , “কেউ হয়ত মনে করেছিলেন এ রকম কেক দিলেও চলবে। কিন্তু মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন, পতাকার আদলে কেক তিনি কাটবেন না। খারাপ হবে ভেবে মন্ত্রী মহোদয় কেকটি কাটেননি।”

এই ধরনের কেক তৈরির পরিকল্পনায় কারা ছিল- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “অতি উৎসাহী কিছু লোকজন থাকে সব সময়। এটা আমরা তদন্ত করে দেখছি কেউ সরকারকে বিব্রত করার জন্য বা খারাপ অবস্থায় ফেলার জন্য এটা করল কি না। কোথা থেকে বিষয়টার উদ্ভব হল, তাও খতিয়ে দেখব।”

##

হোটেল থেকে দেহব্যবসার অভিযোগে তিন ভারতীয় অভিনেত্রী গ্রেপ্তার!


বিনোদন ডেস্ক : অভিজাত হোটেল থেকে দেহব্যবসার অভিযোগে তিন ভারতীয় অভিনেত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে হায়দরাবাদ পুলিশ। গতকাল রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হায়দরাবাদের অভিজাত হোটেল তাজ ডেকানে তল্লাশি চালায় স্থানীয় পুলিশ। এ সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম খবর প্রকাশ করেছে।

নর্থ জোন টাস্ক ফোর্সের ইনস্পেক্টর নাগেশ্বর রাওয়ের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গোপন খবরের ভিত্তিতে হায়দরাবাদের হোটেল তাজ ডেকানে তল্লাশি চালায় হায়দরাবাদের নর্থ জোন টাস্ক ফোর্স। এ সময় হোটেলের একটি ঘর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় টলিউডের একজন অভিনেত্রী, পশ্চিমবঙ্গের একজন টেলিভিশন অভিনেত্রী ও তেলেগু সিনেমার একজন অভিনেত্রীকে।

এ ছাড়াও গ্রেপ্তার হয় একজন ডিজাইনার, হোটেলের ম্যানেজার। গ্রেপ্তারকৃতদের বানজারা হিলসের পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। তা ছাড়া তাদের কাছ থেকে ৫৫ হাজার রুপি ও মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তারকৃত অভিনেত্রীদের নাম প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়নি।

##

চাকরিতে নিয়োগ পাওয়ার আগে কখনোই যে ১০ কথা বলবেন না


চাকুরি প্রস্তুতি : এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে, চাকরির ইন্টারভিউ করা একটি মানসিক ও আবেগগত চাপ সৃষ্টিকারী প্রক্রিয়া। ফলে আপনি সহজেই ফাঁদে পড়ে বিশ্বাস করতে শুরু করতে পারেন যে, আপনি এবং আপনার নিয়োগদাতা বুঝি ঘনিষ্ঠ বন্ধু।

অনেক ইন্টারভিউ গ্রহণকারী এবং নিয়োগদাতারা চাকরিপ্রার্থীদের খোলামেলা কথা বলানোতে এতটাই পারদর্শী যে, এর মাধ্যমে তারা আপনি যে তথ্য গোপন রাখতে চান তাও বের করে নিতে সক্ষম। ফলে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে যাতে আপনার ক্ষতি হয় এমন কোনো তথ্য ফাঁস না হয়।

এখানে এমন ১০টি বিষয় তুলে ধরা হলো যা চাকরিতে নিয়োগ পাওয়ার আগে কখনোই বলা ঠিক নয় :

১. আমি এই চাকরির ব্যাপারে বিশেষভাবে আগ্রহী কারণ এর কর্মস্থল আমার বাড়ি থেকে খুব কাছে।

২. আমি এবং আমার স্ত্রী গর্ভধারণের চেষ্টা করছি (বা সন্তান দত্তক নেওয়ার চিন্তা করছি)।

৩. আমি যদি এখানে কাজ করতে আসি তাহলে কয়েক মাসের মধ্যেই অনুসন্ধানমূলক সার্জারি করার জন্য আমার ছুটি কয়েকদিনের ছুটি লাগবে।

৪. আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই আমি পূর্ণকালীন গ্রাজুয়েট বিদ্যালয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি।

৫. এরপর আমি আমার নিজের কম্পানি চালুন করতে চাই।

৬. আমার জীবন সঙ্গী বা সঙ্গিনী চমৎকার একটি নতুন চাকরি পেয়েছেন।

৭. আমি আমার আগের চাকরির প্যাটেন্ট থেকে এখনো ভালো পরিমাণ অর্থ উপার্জন করছি।

৮. যত চাকরির জন্য আমি বিবেচিত হচ্ছি তার মধ্যে আমি এই চাকরিটিই সত্যিকার অর্থে পেতে চাই।

৯. আমি যদি সপ্তাহে দুই দিন সকালে বাড়িতে থেকে কাজ করার সুযোগ পাই তাহলে আমি আরো কম বেতন নিতেও রাজি আছি।

১০. আমি এই চাকরি পাওয়ার পর আর চাকরি খুঁজব না।

সূত্র : ফোবর্স

দুই শিশুর উপস্থিত বুদ্ধিতে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল ট্রেন


 

বার্তা বিভাগ :রেললাইনের ত্রুটি দেখে লাল মাফলার দেখিয়ে তেলবাহী ট্রেনকে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করেছে দুই শিশু। ঘটনাটি জানারপর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ওই ২ শিশুর দায়িত্ব নিয়েছেন।

তাদের দুইজনকে প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা করে নিজের অর্থায়নে বৃত্তি দেবেন। এছাড়া ২ শিশু এসএসসি পাসের পর পুনরায় আলাদাভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আড়ানী রেলস্টেশনের ৪০০ মিটার পূর্বদিকে ঝিনা রেলগেটে লাইন ভাঙা দেখে ২ শিশু উপস্থিত বুদ্ধির জোরে গলায় পেঁচানো লাল মাফলার তুলে ধরে। এটা দেখে চালক ট্রেনটিকে থামিয়ে দেয়।

আড়ানী স্টেশনে কর্মরত মাস্টার নয়ন আহম্মেদ জানান, তেলবাহী ট্রেনচালক কেএম মহিউদ্দিন দুই শিশুর মাফলার দিয়ে সিগন্যাল লক্ষ্য করেন। এরপর তিনি ট্রেন থামিয়ে দেন। এই কারণে দুই ঘণ্টা রাজশাহীর সব ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। পরে রাজশাহী রেলওয়ের কর্তকর্তাদের জানানো হয়। তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে রেললাইন মেরামত করলে আবার ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

লাল মাফলার দিয়ে ট্রেন থামানো সেই দুই শিশু ঝিনা গ্রামের সুমন হোসেনের ছেলে সিহাব হোসেন (৬) ও একই গ্রামের মহিদুল ইসলামের ছেলে টিটোন ইসলাম (৭)। তারা স্থানীয় ঝিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র। সিহাব হোসেন প্রথম শ্রেণি ও টিটোন ইসলাম দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। অতি দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় তারা মাঠে কাজ করার পর স্কুলে লেখাপড়া করে।

তারা জানায়, পাশের এক ক্ষেত থেকে তারা বাড়ি ফিরছিল। এই সময় দেখে রেললাইন ভাঙা। আর ট্রেন আসতে দেখে তারা লাল মাফলার দিয়ে ট্রেনট থামিয়ে দেয়।

ট্রেনচালক কেএম মহিউদ্দিন জানান, খুলনা থেকে রাজশাহীতে নিয়ে তেল আনা হচ্ছিল। পথে আড়ানী স্টেশনের একটু দূরে ঝিনা রেলগেট এলাকায় লাইন ভাঙা দেখে সিহাব ও টিটোন নামের দুই ছেলে মাফলার দিয়ে সিগন্যাল দেয়।

তিনি বলেন, প্রথমে ভাবলাম থামব না, তার পরেও ট্রেন থামিয়ে এসে দেখি রেললাইন ভাঙা। পরে আড়ানী স্টেশনের মাস্টার নয়ন আহম্মেদকে জানানো হয়।

তেলবাহী ট্রেনের পরিচালক আরশেদ আলী জানান, হঠাৎ ট্রেন থামিয়ে দেয়ার কারণে চালকের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছিলাম। পরে দেখি রেললাইন ভাঙা। বিষয়টি রেলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তাৎক্ষণিক অবগতি করি।

##

স্বামীকে খুন, সার্জারি করে প্রেমিককে স্বামীর চেহারা দিলেন স্ত্রী


বিনেদন ডেস্ক : প্রেমিকের সঙ্গে ঘর বাঁধার ইচ্ছা অনেকদিনের। কিন্তু পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়াল প্রেমিকার স্বামী। প্রেমিক-প্রেমিকা দুজনেই ফন্দি আঁটতে শুরু করলেন। হঠাৎ মাথায় এল একটি ফিল্মের কাহিনী। যেই চিন্তা সেই কাজ।

প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে খুন করে জঙ্গলে ফেলে এল স্ত্রী। অ্যাসিড ঢেলে বিকৃত করা হল প্রেমিকের মুখ। তারপর প্লাস্টিক সার্জারি করে হুবহু নিহত ওই ব্যক্তির মুখ লাগানোর পালা। কিন্তু স্বপ্নটা পূরণ হয়েও হল না।

রোববার রাতে গ্রেফতার করা হয় স্বাতী রেড্ডি নামে ওই গৃহবধূকে। ভারতের তেলেঙ্গানার নগরকুর্নুল জেলায় এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, কয়েক বছর আগে সুধাকর রেড্ডির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল স্বাতীর। কিন্তু স্বাতীর স্বপ্ন ছিল, প্রেমিক রাজেশের সঙ্গে সংসার করার। ওই অবস্থায় হঠাৎই উপায় বাতলে দেয় তেলেগু ছবি ‘ইয়েভারু’। সেই মতো রাজেশের সঙ্গে মিলে ঘুমন্ত স্বামীর মাথায় ভারি জিনিস দিয়ে আঘাত করে খুন করেন স্বাতী। এরপর মৃতদেহটি পাশের জঙ্গলে ফেলে পুড়িয়ে ফেলেন তারা।

এরপর অ্যাসিড ঢেলে প্রথমে রাজেশের মুখ বিকৃত করেন স্বাতী। তারপর সুধাকরের পরিবারকে ফোন করে জানান, স্বামীর উপরে অ্যাসিড হামলা করেছে দুষ্কৃতিরা। খবর পেয়ে ছুটে আসেন নিহতের বাবা-মা। বড় হাসপাতালে শুরু হয় রাজেশের চিকিৎসা। প্লাস্টিক সার্জারির পেছনে ৫ লাখ টাকা খরচও করা হয়। কিন্তু ‘ছেলের’ সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে খটকা লাগে মা-বাবার। এরপরেই পুলিশে খবর দেন তারা। তদন্তকারীকে তারা জানান, পুরনো কোনো কথাই বলতে পারছে না ছেলে। বদলে গেছে তার আচরণও।

সুধাকরের বাবা-মা অভিযোগ করলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বাতীকে আটক করে পুলিশ। জেরার মুখে ষড়যন্ত্রের কথা স্বীকার করেন স্বাতী।

তিনি জানান, যিনি হাসপাতালে ভর্তি, তিনি সুধাকর নন, তার প্রেমিক রাজেশ। এরপরেই স্বাতীকে নিয়ে গিয়ে জঙ্গল থেকে সুধাকরের অগ্নিদগ্ধ দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ছবি দেখে কেউ এমন অপরাধ করছে, ভাবা যায় না।’

তিনি জানান, রাজেশের অবস্থার উন্নতি হলে তাকেও হেফাজতে নেওয়া হবে।

##

তৈরি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের ডিজিটাল ম্যাপ


বার্তা বিভাগ : দেশজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধের লাখো ইতিহাস ও ঘটনাকে এক সুতোয় গাঁথতে মুক্তিযুদ্ধের ওপর সর্ববৃহৎ ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে প্রিয় লিমিটেড।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করে রাখার এ উদ্যোগের নাম দেয়া হয়েছে প্রিয় মুক্তি পিন।

ডিসেম্বর জুড়ে দেশের ৬৪ জেলায় সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে ও প্রিয় ডটকমের সরাসরি তত্ত্বাবধানে মুক্তিযুদ্ধের ছোটবড় ঘটনাগুলোকে শনাক্ত করে অজানা ও ক্ষয়িষ্ণু প্রায় ইতিহাসকে দীপ্তিময় করে তোলা হবে।

এসব ঘটনা ও ইতিহাস লিপিবদ্ধ করা হবে বাংলাদেশের ডিজিটাল মানচিত্রের ওপর। এ ডিজিটাল আর্কাইভ ইতিহাসকে পৌঁছে দেবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে, যাতে প্রজন্মান্তরে আমাদের অমূল্য মুক্তিযুদ্ধ সংগ্রামের ঘটনা হারিয়ে না যায়।

এ ব্যাপারে প্রিয় লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জাকারিয়া স্বপন বলেন, সর্বস্তরের বাংলাদেশি নাগরিককে এই উদ্যোগে সংযুক্ত করতে ডিসেম্বর থেকে প্রিয় মুক্তি পিন সফটওয়্যারটি সবার জন্য উন্মুক্ত করে রাখা হবে। উন্মুক্ত করা হবে মোবাইল অ্যাপ।

জাকারিয়া স্বপন জানান, বাংলাদেশসহ বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে আগ্রহী যে কেউ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে মুক্তি পিন ম্যাপের মাধ্যমে প্রকাশ করে ইতিহাসের সর্ববৃহৎ এই ডিজিটাল আর্কাইভের অংশ হতে পারবেন।

প্রিয়.কমের নিজস্ব বিচারক প্যানেল পিনদাতাদের দেয়া প্রতিটি পিনের সত্যতা নিশ্চিত করবে। সাধারণ মানুষের দেওয়া পিনগুলোর সত্যতা ও যথার্থচা যাচাই করার জন্য প্রফেসর ড. আনিসুজ্জামান, প্রফেসর ড. কায়কোবাদ, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল, ড. গওহর রিজভীর মতো আরও বিশেষ কিছু ব্যাক্তিত্বদের নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেছে প্রিয় লিমিটেড। যারা সঠিক পিন দেবেন তাদের পিনগুলোকে ম্যাপেই ভ্যারিফাই করে দেয়া হবে।

১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ প্রকল্পটি চলবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। মার্চে আড়ম্বরপূর্ণ এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সংখ্যক সঠিক মুক্তি পিনদাতাদের মধ্য থেকে প্রথম ১০০ জনের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে পুরস্কার ও অন্যান্য সৌজন্য সামগ্রী উপহার দেয়া হবে।

প্রিয় মুক্তি পিন উদ্যোগকে সফল করতে প্রিয়.কমের পক্ষ থেকে ডিসেম্বরজুড়ে দেশের ৬৪টি জেলায় ১৩০টি স্থানে জাতীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে নানা ধরনের রোড শো, ক্যা¤িপং, ইভেন্ট পূর্ববর্তী এবং ইভেন্ট পরবর্তী কার্যক্রমসহ নানা প্রচারণা চালানো হবে।

এ উদ্যোগে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ইভেন্ট চলাকালীন ফ্রি ইন্টারনেট সহায়তা দেয়ার পরিকল্পনাও করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

পিন করার প্রক্রিয়া স¤পর্কে বলা হয়েছে, আপনার স্মার্টফোনটিতে প্রিয় অ্যাপটি ডাউনলোড করুন অথবা ব্রাউজার থেকে ঢ়ৎরুড়.পড়স/সঁশঃরঢ়রহ ওয়েব পেজটি ভিজিট করুন। ওয়েব পেজ বা অ্যাপটি লোড হওয়ার পর আপনার সামনে উন্মুক্ত হওয়া স্ক্রিনটিতে পিন করুন নামক বাটনটি ক্লিক করুন। একটি উইন্ডো প্রদর্শিত হবে, সেখানে আপনার প্রাথমিক সব তথ্য (নাম, ফোন নম্বর এবং ইমেইল) দেয়ার পর আপনার পিন সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য দিন।

মুক্তিপিনের টাইটেল, ওই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছবি (এক বা একাধিক ছবি ব্যবহার করা যাবে), ঘটনার বিবরণ, সময়কাল (বাধ্যতামূলক নয়) লিখে সঠিক স্থানটি ম্যাপে সংযুক্ত করে পোস্ট বাটনে ক্লিক করুন। ঘটনা সংশ্লিষ্ট সঠিক জায়গাটি ম্যাপে পিন করার সুবিধার্থে ম্যাপের সঙ্গে সংযুক্ত সার্চ অপশনে জায়গাটির নাম লিখে এন্টার ক্লিক করুন। এরপর সঠিক জায়গাটি ম্যাপের মধ্য থেকে খুঁজে বের করে পিন করুন। পোস্ট করার পর আপনার পিনটি প্রাথমিকভাবে ম্যাপে সংরক্ষিত হবে। কিছু সময় পর যাচাই-বাছাই (ভেরিফিকেশন) প্রক্রিয়া শেষে আপনার পিনটি আমাদের মুক্তি পিন ম্যাপে স্থায়ীভাবে প্রকাশ করা হবে।

পিন প্রদানের জন্য আপনার দেয়া তথ্যগুলো অবশ্যই বাংলায় হতে হবে। এক্ষেত্রে ইউনিকোড কিংবা অভ্র, অংকুর ইত্যাদি ফন্ট ব্যবহার করা যাবে।

ঐতিহাসিক জায়গাটির যুদ্ধের সময়কার তৎকালীন ছবি দেয়া বাধ্যতামূলক নয়। বর্তমানে ওই স্থানটি যেমন অবস্থায় আছে, সেই ছবিটিও প্রদান করা যাবে। মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় এমন কোনো অবান্তর ঘটনা পিন করা হলে কিংবা পিনকৃত ঘটনাটির সত্যতা না পাওয়া গেলে সেটি তাৎক্ষণিকভাবে ম্যাপ থেকে মুছে ফেলা হবে।

##

সাতক্ষীরা ৩ ও ৪ আসনের এম.পি’কে কালিগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের বয়কট


বিশেষপ্রতিবেদক:  মহান বিজয় দিবসে কালিগঞ্জের সোহরাওয়ার্দী পার্কে বীর শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের এমপি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক।

এরপর স্থানীয়ভাবে প্রণীত কর্মসূচির অংশ হিসেবে সরকারি কবরস্থানে স্বাধীনতা যুদ্ধে পাক বাহিনী ও তাদের স্থানীয় দোসরদের হাতে নিহত শহীদ ইউনুচ আলীর কবর জিয়ারত কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা-৩ আসনের এমপিকে অনুরোধ জানান মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ।

কিন্তু তিনি সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে নলতায় চলে যান। এর প্রেক্ষিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আলহাজ্জ্ব শেখ ওয়াহেদুজ্জামান, ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাকিম ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ সাতক্ষীরা-৩ আসনের এমপি অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপিকে বয়কট ঘোষণা করেন।

এতে একাত্মতা ঘোষণা করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও গত ৬ মাস পূর্বে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কমান্ডের নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সাতক্ষীরা-৩ আসনের এমপি অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এবং সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি এসএম জগলুল হায়দার মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটে সন্তান কমান্ডের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘদিনেও তারা এব্যাপারে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানান।

এদিকে সোহরাওয়ার্দী পার্কে স্মৃতিস্তম্ভের সন্মুখে ছিল পানি ও কাদার ছড়াছড়ি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করতে যেয়ে বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েন। কাদাপানিতে চলাফেরায় ব্যাপক ঝামেলা হয় এবং কাপড়চোপড় নষ্ট হয়। এসময় উপস্থিত অনেকেই জানান, প্রায় এক সপ্তাহ আগে বৃষ্টি হওয়ায় পার্কের ভিততে পানি জমে যায়। বিষয়টি জানার পরও এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী নির্বাহী অফিসার গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসান কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

কয়েক ভ্যান বালু ফেললে জাতীয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে এরকম পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হতো না বলে মন্তব্য করেন তারা।

এসময় তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গাফিলতি ও দায়সারা কার্যক্রমে ক্ষোভ ও নিন্দা জানান।

##

মুক্তিপণের টাকা না পেয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষণ!


বার্তা বিভাগ : ঢাকার ধোলাইপাড় এলাকা থেকে অপহরণ করে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় এক গৃহবধূকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। মুক্তিপণের দাবির টাকা দিতে না পারায় ৫ অপহরণকারী পালাক্রমে ধর্ষণ করে ওই গৃহবধূকে।

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার আটপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

শ্রীনগর থানার উপ-পরিদর্শক আলী মনসুর জানান, বৃহস্পতিবার(১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে পার্লার ব্যবসায়ী ওই গৃহবধূকে মাইক্রোবাসে করে ঢাকা থেকে অপহরণ করা হয়। রাতে তার স্বামীর কাছ অপহরণকারীরা ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। প্রথম পর্যায়ে সকালে ১০ হাজার টাকা দেয়া হয়।

এছাড়া ওই গৃহবধূর কাছে মেশিন কেনার ২৫ হাজার টাকা, স্বর্ণ, মোবাইল ছিল।

পরবর্তীতে মুক্তিপণের বাকি টাকা না দেয়ায় বৃহস্পতিবার রাত থেকে ওই গৃহবধূকে পালাক্রমে আটপাড়া চকের জমিতে ৫ জন ধর্ষণ করে। তারপর আটপাড়া গ্রামের খালেক মাদবরের বাড়িতে আটকে রাখে।

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে গৃহবধূর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে চার ধর্ষক পালিয়ে গেলেও উজ্জ্বল হোসেন (৩০) নামে একজনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। তার বাড়ি আটপাড়ার বাড়িগাও গ্রামে।

আটকে রাখা বাড়ির মালিকের ছেলে মফিদুল ইসলাম (৩২) পলাতক আছে। ঢাকা থেকে জামাল হোসেন (৩০) নামে এক ব্যাক্তি এই অপহরণ করে।

শ্রীনগর থানার ওসি আলমগীর হোসেন জানান, এই ঘটনায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। বিস্তারিত খতিয়ে দেখা হচ্ছে ও একজনকে আটক করা হয়েছে।

##

আগামী নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশে ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে : এরশাদ


বার্তা বিভাগ : আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিই দেশে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ ও সুশাসন নিশ্চিত করতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। শনিবার রাজধানীর বনানীতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে পার্টির গাজীপুরের কালীগঞ্জ শাখার নেতা কর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় একথা বলেন তিনি।

এরশাদ বলেন, দেশের রাজনীতি অত্যন্ত ঘোলাটে। নির্বাচনে যদি বিএনপি আসে তাহলে ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে। জানমালের নিরাপত্তা থাকবে না।

মানুষ পরিবর্তন চায়, কিন্তু পরিবর্তন মানে বিএনপি নয়। দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, মিলিটারি থেকে যারা রাজনীতিতে আসে, তাদের টিকতে দেওয়া হয় না; মেরে ফেলা হয় কিংবা নির্বাসিত করা হয়। আমি বেঁচে আছি, দেশে আছি এবং রাজনীতি করছি।

এটা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। তিনি বলেন, এর কারণ- আমাদের উপর দায়িত্ব দিয়েছেন আল্লাহপাক। দেশকে, দেশের মানুষকে একটি সুন্দর আগামীতে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব। এই দায়িত্ব যদি পালন না করতে পারি, আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। মনে রেখ, দেশে দল থাকবে দুটি- আওয়ামীলীগ এবং জাতীয় পার্টি। এরশাদ বলেন, ক্ষমতায় নেওয়ার মালিক আল্লাহপাক। এটা আমরা ভুলি না, ওরা (বিএনপি) ভুলে যায়।

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশ থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেশে ফিরিয়ে নিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ওরা আমাদের দেশের নাগরিক নয়, ওদেরকে নিজেদের দেশে ফেরত যেতে হবে। কিন্তু ভয় হয়, ওরা দেশে ফিরলে আবার তাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেবে কিনা। তাই আমার মতে, এ বিষয়টিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সল চিশতী, আজম খান এবং জাতীয় পার্টি কালীগঞ্জ শাখার নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

##

গ্যাস্ট্রিক রোধের ১০ টি সহজ কৌশল


অনলাইন ডেস্ক : পৃথিবীর সকল মানুষই জীবনের কোন না কোন সময় অম্লতা বা অ্যাসিডের প্রতিপ্রবাহতে ভুগেছেন।কিছু ক্ষেত্রে, অনেকের এই সমস্যা প্রতিদিনের, এমনকি অনেকে এই সমস্যার সাথে প্রতিদিন আমৃত্যু লড়াই করে।

অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ, মসলাযুক্ত খাবার, মদ অথবা ক্যাফেইন জাতীয় খাবার গ্রহণের ফলে এই অম্লতার সৃষ্টি হয়। এতে অনেক সময় বুকে জ্বালা-পোড়ার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ডাক্তারি ঔষধ সেবনে সাময়িক স্বস্তি মিললেও সম্পূর্ণ মুক্তি পাওয়া যায় না। কিন্তু প্রাকৃতিক উপায়ে অনেকটাই এই সমস্যার প্রতিকার সম্ভব।

জেনে নিন প্রাকৃতিক উপায়ে গ্যাস্ট্রিক রোধের ১০ টি সহজ কৌশলঃ-
——————————————————————
* নারিকেলের পানি গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা দূর করে বুকের জ্বালা-পোড়া দূর করতে পারে।

* ক্যাফেইন জাতীয় সকল পানীয় পরিহার করে সবুজ চা বা ভেষজ পানীয় পান করার অভ্যাস করুন।

* প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ অবশ্যই পান করুন।

* আপনি যদি ধূমপায়ী হয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই ধূমপান বন্ধ করুন।

* আপনার খাদ্যতালিকা থেকে ঝাল ও মসলাযুক্ত খাবার ত্যাগ করুন।

* কিছু সময় সময় পরপর খাবার গ্রহণ করুন এবং কম কম করে খাবেন। অনেক সময় না খেয়ে থাকার ফলে গ্যাস্ট্রিকের সৃষ্টি হয়।

* পুদিনা পাতা প্রাকৃতিকভাবে পেট ঠাণ্ডা করতে পারে। পানিতে পুদিনা পাতা ভাল করে সেদ্ধ করে নিন। প্রতিবার খাওয়ার পর এক গ্লাস পুদিনা পাতার রস পান করুন।

* বুকে ব্যথা দূর করার জন্য লবঙ্গের ব্যবহার করতে পারেন। একটি লবঙ্গ মুখে দিতেই বুঝতে পারবেন এর কার্যকারিতা।

* খাদ্য তালিকায় মটরশুঁটি , কুমড়া , বাঁধাকপি , গাজর এবং পেঁয়াজ যোগ করুন।

* রাতে ঘুমাতে যাবার অন্তত ২ থেকে ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার গ্রহণ করুন।

##

বাঙালির বংশ পদবীর ইতিহাস ! জেনে রাখুন যেকোন চাকরি পরীক্ষায় কাজে দিবে !!


বিনোদন ডেস্ক : খুব বেশি প্রাচীন নয়। মধ্যযুগে সামন্তবাদী সমাজ ব্যবস্থার ফলে পরবর্তীতে বৃটিশ আমলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সমান্তরালে বাঙালির পদবীর বিকাশ ঘটেছে বলে মনে করা হয়। অধিকাংশ ব্যক্তি নামের শেষে একটি পদবী নামক পুচ্ছ যুক্ত হয়ে আছে। যেমন উপাধি, উপনাম কিংবা বংশসূচক নামকে সাধারণ ভাবে পদবী বলা হয়।

বাঙালির জমি- জমা বিষয় সংক্রান্ত কিছু পদবী যেমন- হালদার, মজুমদার, তালুকদার, পোদ্দার, সরদার, প্রামাণিক, হাজরা, হাজারী, মন্ডল, মোড়ল, মল্লিক, সরকার, বিশ্বাস ইত্যাদি বংশ পদবীর রয়েছে হিন্দু -মুসলমান নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের একান্ত রূপ। বাঙালি মুসলমানের শিক্ষক পেশার পদবী হলো-খন্দকার, আকন্দ, নিয়াজী ইত্যাদি। আর বাঙালি হিন্দুর শিক্ষক পদবী হচ্ছে দ্বিবেদী, ত্রিবেদী, চর্তুবেদী ইত্যাদি।

এবার আপনাদের জানাবো বাঙালির কিছু বিখ্যাত বংশ পদবীর ইতিহাস। যেমন-শিকদার, সৈয়দ, শেখ, মীর, মিঞা, মোল্লা, দাস, খন্দকার, আকন্দ, চৌধুরী, ভুইয়া, মজুমদার, তরফদার, তালুকদার, সরকার, মল্লিক, মন্ডল, পন্নী, ফকির, আনসারী, দত্ত ইত্যাদি।

শিকদারঃ সুলতানি আমলে কয়েকটি মহাল নিয়ে গঠিত ছিল এক একটি শিক। আরবি শিক হলো একটি খন্ড এলাকা বা বিভাগ। এর সাথে ফারসি দার যুক্ত হয়ে শিকদার বা সিকদার শব্দের উদ্ভব হয়েছে। এরা ছিলেন রাজস্ব আদায়কারী রাজকর্মচারী। শব্দকোষে যাকে বলা হয়েছে শান্তিরক্ষক কর্মচারী। এরা শিক বন্দুক বা ছড়ি বন্দুক ব্যবহার করতো বলে শিকদার উপাধী পেয়েছিল; সেই থেকে বংশ পরমপরায় শিকদার পদবীর বিকাশ ঘটে।বাঙালির বংশ পদবী

সৈয়দঃ সৈয়দ পদবী মূলত এসেছে নবী নন্দিনী হযরত ফাতেমা ও হযরত আলীর বংশ ধর থেকে। প্রায় দেড় হাজার বছর আগের এই বংশের সাথে কোনা যোগসূত্র না থাকলেও বাংলাদেশের অনেক মুসলমান পরিবার সৈয়দ বংশ পদবী ব্যবহার করে নিজেদের সম্ভ্রান্ত ও কুলীন মুসলমান বলে দাবি করে থাকেন। বাঙালি মুসলমান সমাজে সৈয়দ পদবীর অপব্যবহার ও পক্ষেপণ ঘটেছে সবচেয়ে বেশি। প্রকৃত পক্ষে সৈয়দ নন এবং পারিবারিক কোন কুলীন পদবীও নেই, অথবা পূর্ব পদবী ঐতিহ্য পরিত্যাগ করতে ইচ্ছুক এমন অনেক বংশ গোষ্ঠী বা ব্যক্তি বিশেষে বাংলাদেশে সৈয়দ পদবী আরোপিতভাবে ব্যবহার শুরু করেছিলেন।

শেখঃ শেখ আরবি থেকে আগত পদবী। সম্ভ্রান্ত মুসলমানদের সম্মানসূচক বংশ পদবী শেখ। যিনি সম্মানিত বৃদ্ধ অথবা যিনি গোত্র প্রধান, তাকেই বলা হতো শেখ। হযরত মোহাম্মদ (সঃ) সরাসরি যাকে বা যাঁদের ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করেছিলেন, তিনি বা তার বংশ ধরও শেখ নামে অভিষিক্ত হতেন অথবা শেখ পদবী লাভ করতেন। বাঙালি মুসলমান সমাজে যারা শেখ পদবী ধারণ করেন, তারা এ রকম ধারণা পোষণ করেন না যে, তারা বা তাদের পূর্ব পুরুষরা এসেছিলেন সৌদী আরব থেকে। বাঙালি সৈয়দ পদবী ধারীদের থেকে শেখ পদবীধারীদের এখানে একটা মৌলিক তাৎপর্যগত পার্থক্য রয়েছে। শেখ পদবী গ্রহণের নেপথ্যে রয়েছে ঐ পূর্বোক্ত চেতনা। নবীর হাতে মুসলমান না হলেও বাংলায় ইসলাম ধর্ম আর্বিভাবের সাথে সাথে যারা নতুন ধর্মকে গ্রহণ করে নেন; নও মুসলমান’ হিসেবে প্রাচীন ও মধ্যযুগে তারাই শেখ পদবী ধারণ করেছিলেন। পরবর্তীকালে তাদের বংশের উত্তর সূরীরাই শেখ পদবী ব্যবহার করে এসেছেন। এমনিতে অন্য ধর্মের লোকের কাছে মুসলমান মানেই শেখ বা সেক। কেউ কেই শেখ কেউ সেক কিংবা কেউ বা শেখ এর রূপান্তর শাইখও ব্যবহার করে থাকেন।

মীরঃ মির বা মীর শব্দটি এসেছে আরবি থেকে। আরবি শব্দ আমীর’ এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে মীর। সেই অর্থে মীর অর্থ দলপতি বা নেতা, প্রধান ব্যক্তি, সরদার ইত্যাদি। জিতে নেয়া বা জয়ী হওয়া অর্থে মীর শব্দের ব্যবহার হতো। তবে মীর বংশীয় লোককে সম্ভ্রান্ত এবং সৈয়দ বংশীয় পদবীধারীর একটি শাখা বলে গাবেষকরা মনে করেন।

মিঞাঃ মিঞা মুসলিম উচ্চ পদস্থ সামাজিক ব্যক্তিকে সম্বোধন করার জন্য ব্যবহৃত সম্ভ্রম সূচক শব্দ। এক অর্থে সকল মুসলমানের পদবীই হচ্ছে মিঞা। বাঙালি হিন্দুর মহাশয়’ এর পরিবর্তে বাঙালি মুসলমান মিয়া শব্দ ব্যবহার করে থাকে। মিঞা’ শব্দটি এসেছে ফারসি ভাষা থেকে। প্রভু বা প্রধান ব্যক্তি বুঝাতেও মিয়া শব্দের প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। তবে গ্রামীন প্রধান বা সর্দার অর্থের মিঞা পদবী হিসেবে বাঙালি মুসলমান সমাজে ঠাঁই পেয়েছে।

মোল্লাঃ মোল্লা এবং মুন্সী বাঙালির দুটো জনপ্রিয় পদবী। তাদের প্রসার প্রায় দেশব্যাপী। বঙ্গীয় শব্দকোষ এ মোল্লা শব্দের অর্থ করা হয়েছে মুসলমান পুরোহিত। বস্তুত এভাবে মসজিদে নামাজ পরিচালনার কারনেও অনেকে মোল্লা উপাধি পেয়েছিল। প্রকৃত পক্ষে, মোল্লা হচ্ছে তুর্কি ও আরবি ভাষার মোল্লা থেকে আগত একটি শব্দ যার আভিধানিক অর্থ হচ্ছে পরিপূর্ণ জ্ঞান বিশিষ্ট মহাপন্ডিত ব্যক্তি। অন্য অর্থে মুসলিম পন্ডিত বা ব্যবস্থাপক বা অধ্যাপক হলেন মোল্লা। পরবর্তী কালে মসজিদে নামাজ পরিচারলনাকারী মাত্রই মোল্লা নামে অভিহিত হতে থাকে। এখান থেকেই সাধারণত বংশ পদবী হিসেবে তা ব্যবস্থার হওয়া শুরু হয়। তাঁরা সকল জ্ঞানের জ্ঞানী না হওয়া সত্ত্বেও মোল্লা পদবী ধারণ করে। যার ফলে মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত’ প্রবাদের উৎপত্তি হয়েছে।

দাসঃ বাঙালি হিন্দু সমাজে দাস বা দাশ বংশ পদবীর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। যে সমস্ত হিন্দু সম্পদায়ের মানুষ পদবীতে দাশ লিখেন তাদের পেশা ধীবর থেকে এসেছে বলে গবেষকরা মনে করেন। আর যারা দাস লেখেন তাদের পদবী স্রষ্টার ভূত্য চেতনা থেকে এসেছেন।

খন্দকারঃ মুসলিম সমাজের ফারসি শিক্ষক হিসেবে খোন্দকার বা খন্দকারের পরিচয় পাওয়া যায় । অন্য দিকে খোন্দকারের ‘ পদবী এসেছে সামন্ত সমাজ থেকে পেশাজীবী হিসেবে। সাধারণ ভাবে খোন্দকার বা খন্দকার অর্থ হচ্ছে কৃষক বা চাষাবাদকারী । মনে করা হয় ফারসি কনদহ ‘ এর যার অর্থ কৃষি’সাথেকার যুক্ত হয়ে কনদহকার> খনদহকার>খন্দকার হয়েছে। ভিন্ন মতে, খন্দকারের মূল উৎপত্তি সংস্কৃত কন্দ> খন্দ যার অর্থ ফসল বলা হয়েছে। এই খন্দ এর সাথে কার যুক্ত হয়েও খন্দকার> খোন্দকার হতে পারে। এবং এতেও পূর্বের খন্দকার’ শব্দের উৎসের অর্থের তারতম্য ঘটছে না। আবার ফারসি ভাষায়, খোন্দকার বলে একটি শব্দ আছে যার অর্থ শিক্ষক। সেখান থেকেও খোন্দকার পদবী আসা বিচিত্র কিছু নয়। অথবা খোন্দকার শব্দের যে ভিন্নভিন্ন অর্থ তার সবগুলো মিলিত তাৎপর্য থেকেই বিভিন্নভাবে খন্দকার পদবীর উৎপত্তি হয়েছে।

আখন্দঃ খন্দকার ও আখন্দ বা আকন সমার্থক। আখন্দ ও আকন নামে যে সব পদবী তাও সম্ভবত খন্দকার পদবীরই রূপভেদ। খন্দকার>আখন্দ> আকন হয়ে থাকতে পারে। আবার ফারসি আখুন্দ থেকেও আখন্দ এসে থাকতে পারে। যার অর্থ শিক্ষক। তবে আকন্দ এসেছে আখন্দ থেকেই।

চৌধুরীঃ সংস্কৃত চতুধারী শব্দ থেকে এসেছে বাংলা চৌধুরী শব্দ। এর অর্থ চর্তুসীমানার অন্তগর্ত অঞ্চলের শাসক। বাংলাদেশের বেশির ভাগ জমিদারদের পদবী হচ্ছে চৌধুরী। আবার অনেকে মনে করেন চৌথহারী’ যার অর্থ এক চতুথাংশ রাজস্ব আদায়কারী, সেখান থেকে উচ্চারণ পরিবর্তনের মাধ্যমে এসেছে চৌধুরী’। সেদিক থেকে চৌথ আদায়কারী বা রাজস্ব আদায়কারী পদ সৃষ্টি হয়েছিল বাংলার রাষ্ট্র ব্যবস্থার। বঙ্গীয় শব্দকোষ বলছে, চতুর’ যার অর্থ তাকিয়া বা মসনদ, তার সাথে যুক্ত হয়েছে ধর’ (অর্থ ধারক) এবং এই দুয়ে মিলে হয়েছে চৌধরী’ আর তার থেকেই চৌধুরী’। তবে তা মূলত হিন্দী ও মারাঠি শব্দ। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে চৌধুরী বংশ পদবী ব্যবহার করা হয় এদেশে। বৃটিশ-ভারতের প্রায় সর্বত্র এ পদবীর অস্তিত্ব ছিল। কারণ চৌধুরী ছিল সামন্ত রাজার পদবী।

ভূঁইয়াঃ এই বংশ পদবীটি এসেছে খোদ ভূমির মালিকানা অর্থ থেকে। বাঙালি হিন্দু-মুসলিম উভয় এর মধ্যে এ পদবীর প্রচলন আছে। বাঙালি হিন্দু সমাজে যাঁরাই ভৌমিক’ বাঙালি মুসলমান সমাজে তারা ভূঁইয়া’ হিসেবে পদবী ধারণ করেছেন। মূল সংস্কৃত শব্দ ভৌমিক > (প্রাকৃত) ভূমিকা > (বাংলা) ভূঁইয়া > থেকে ভূঁইয়া বা ভূঁঞা এসেছে। প্রাচীন বড় জমিদার বা সামন্ত রাজার উপাধিও ছিল ভূঁইয়া। প্রকৃত পক্ষে কুলীন বংশ পদবীই ছিল তা। আবার যে সব মানুষ আগে স্থান বিশেষে বনজঙ্গল পরিষ্কার করে বসতি ও চাষাবাদের পত্তন করেছে তারা স্থানীয় জমিদার রাজার কাছ থেকে ভূঁইয়া নামে অভিহিত হয়ে ঐসব জমি জমার স্বত্ব লাভ করেছে।

মজুমদারঃ মজুমদার’ পদবী মূল আসলে মজুনদার’। এর মূল ফারসি শব্দ হচ্ছে মজমু আনদার’। রাষ্ট্রের ও জমিদারির দলিল পত্রাদির রক্ষক রাজকর্মচারীর জন্যে এই পদবী সংরক্ষিত ছিল। হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে সমগ্র বাংলাদেশে মজুমদার’ পদবীর ব্যবহার লক্ষনীয়।

তরফদারঃ আরবি তরফ’ এবং ফারসি দার’ মিলে তরফদার শব্দের সৃষ্টি। রাজ্যের খাজনা আদায়ের মহালে তদারককারী বা খাজনা
আদায়কারীর উপাধী ছিল তরফদার। এই পদবী ব্যবহারকারী গোষ্ঠীর পূর্ব পুরুষরা রাজকার্য পরিচালনার কাজে নিয়োজিত ছিলেন,
সেখান থেকেই এই বংশ পদবী উৎপত্তি ও প্রচলন। অন্যমতে তরফদার তরফের রাজস্ব আদায়কারী লোক; তরফের মালিক; পদবী বিশেষ।

তালুকদারঃ আমাদের দেশে পরিচিত একটি বংশ পদবী। বাংলাদেশে জমিদারির পরই তালুক ভূ-সম্পত্তির একটি বিভাগ। মোগল ও বৃটিশ আমলে রাজস্ব ও ভুমি সংক্রান্ত বিষয়াদি থেকে যে সমস্ত পদবীর উৎপত্তি ও বিস্তার তার মধ্যে তালুকদার’ হচ্ছে অন্যতম পদবী। তালুক’ শব্দ থেকেও এই পদবীর মর্মাথ উপলব্ধি করা সম্ভব। আরবি শব্দ তা’ আল্লুক’ যার অর্থ ভূ-সম্পত্তি এবং এর সাথে ফারসি দার’ যুক্ত হয়ে (তা’আল্লুক+দার) তালুকদার’ শব্দের উৎপত্তি হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে, যিনি তালুকদার, তিনি জমি ও ক্ষুদ্র ভূ-সম্পত্তি বন্দোবস্ত নিতেন সরকারের কাছ থেকেও যেমন, তেমনি জমিদারের কাছে থেকেও। ফলে তিনি হতেন উপজমিদার সেই অর্থেই এসেছে তালুকদার’।

সরকারঃ সরকার’ শব্দটি ফারসি থেকে আগত। এর অর্থ প্রভূ, মালিক, ভূস্বামী, শাসনকর্তা, রাজা। অর্থ আদায় ও ব্যয় সংক্রান্ত কর্মচারি ও সরকার। মোগল আমলে এদেশের স্থানীয় রাজকর্মচারিদের এ পদবী দেয়া হতো। মোট কথা প্রধান কর্মচারি এবং সম্পত্তি দেখাশুনার কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিকে সরকার বলা হতো। বাঙালি হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যেই এ পদবীর ব্যবহার আছে।

মল্লিকঃ আরবি মালিক’ বা মলিক’ শব্দ থেকে এসেছে মল্লিক’ বংশ পদবী। ফারসি মালিক শব্দজাত মল্লিক ভূম্যাধিকারী বা জোতদারের উপাধি। গ্রাম প্রধান বা সমাজের প্রধান ব্যক্তি মালিক। আবার লিপিকুশল রাজকর্মচারিকে মোগল আমলে মল্লিক বা সুলেখক আখ্যা দেয়া হত বলেও আমরা জানতে পারি। হয়তোবা সেই থেকে মল্লিক বংশ পদবী এসেছে।

মন্ডলঃ বাঙালি হিন্দু-মুসলিম সমাজে সমান ভাবে ব্যবহৃত হয় মন্ডল পদবী। বাংলাদেশে অতীত কাল থেকে গ্রামের অনানুষ্ঠানিক এবং সাধারণ ভাবে গ্রাম- প্রধানকে বলা হয় মন্ডল। বাংলা মন্ডলরা আগে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন। মন্ডলীয় কাজ করে তারা অনেক অধিকার ভোগ করতেন। খাজনা আদায়কারী ও রায়তদের মধ্যস্থতা করা কিংবা গ্রামীন বিবাদ আপোস মীমাংসা করতে মন্ডলরা কার্যকরী ভূমিকা পালন করতেন। কোন কোন সময় তাদের অধীনে পাটোয়ারি, তহসিলদার, চৌকিদার ইত্যাদি কর্মচারী কাজ করতেন। সরকার ও রায়তদের মধ্যবর্তী মানুুষ হিসেবে মন্ডলরা অধিক পরিচিত ছিল।

ফকিরঃ মুসলমানদের মধ্যে সন্ন্যাসবৃত্তি’ থেকেই এসেছে ফকির’ পদবী। মরমী সাধকরা গ্রহণ করতেন ফকির’ পদবী। এটি আরবি শব্দ, যার মূল অর্থ নি:স্ব। আবার আরবি ফকর শব্দের অর্থ দারিদ্র। এ থেকে ফকির শব্দের উৎপত্তি। ফকির এবং পার্শি দরবেশ ব্যক্তিগণ সাধারণত এদেশে ফকির নামে পরিচিত। বিশেষ কোন ধর্ম মতের একান্ত অনুসারী না হয়ে যারা সকল ধর্মের মূলনীতি নিয়ে আত্মতত্ত্বের সন্ধান করেন তাদেরকেও ফকির বলা হয়। আবার সুফি বা বাউল তত্বের ধারকরাও ফকির।

ঠাকুরঃ বাংলা শব্দের বিশেষজ্ঞ হরিচরণ বন্দ্যোপধ্যায়ের মতে- ঠাকুর শব্দের মূল হচ্ছে (সংস্কৃত) ঠাক্কুর’ তার থেকে > (প্রকৃত) ঠকুর > (বাংলা) ঠাকুর এসেছে। পদবীগত দিক থেকে তা ব্রাক্ষণের পদবী বিশেষ, এমনকি ক্ষত্রিয়েরও উপাধি এটি। মধ্য যুগের কাব্য চৈতন্য ভাগবত’ উদ্ধৃত করে লেখক বলেছেন, তা বৈঞ্চবেরও উপাধি। যেমন, হরিদাস ঠাকুর। পাচক ব্রাক্ষণও এক প্রকার ঠাকুর বলে পরিচিত। তবে আহমদ শরীফ সম্পাদিত সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান’ বলছে, সংস্কৃত ঠক্কুর থেকে ঠাকুর আসলেও এর মূলে ছিল তুর্কী শব্দ। বাঙালি হিন্দু-মুসলমান উভয়েই এই পদবী ব্যবহার করে।

এরকম শতাধিক বংশ পদবী রয়েছে আমাদের দেশে। বাঙালির পদবীর ইতিহাস বৈচিত্র পথ ও মতের এক অসাধারণ স্মারক হিসেবে চিহিৃত।

##

মাঝপথ থেকে বাড়ি ফিরে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ পেলেন স্ত্রীকে


বার্তা বিভাগ : খুলনা শহরের সদর থানা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অসীত কুমার বর্মণের সঙ্গে নিজ বাসায় আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েছে শহরের পশ্চিম টুটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা নুসরাত জাহান পলি।

সহকারী শিক্ষিকা নুসরাত জাহান

পলির স্বামী মিজানুর রহমান গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়ে কিছু রেখে যাওয়ায় ফের বাসায় ফেরত এসে অসীত ও পলিকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। শহরের দক্ষিণ টুটপাড়াস্থ দিলখোলা রোড এলাকার বাসা থেকে পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

এ ঘটনায় পলির স্বামী মিজানুর রহমান বাদী হয়ে স্ত্রী ও শিক্ষা কর্মকর্তা অসীত কুমার বর্মণকে আসামি করে একটি মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খুলনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার বাড়ই জানান, নুসরাত জাহান পলির স্বামী এসএম মিজানুর রহমান বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার উদ্দেশে বাসা থেকে রওনা দেন। কিন্তু, কিছু ফেলে আসায় তিনি সাত রাস্তার মোড় পর্যন্ত গিয়ে ফের বাসায় ফেরেন।

এ সময় মিজানুর রহমান রাত সাড়ে নয়টার দিকে নিজ বাসায় স্ত্রী ও শিক্ষা কর্মকর্তা অসীত কুমার বর্মণকে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাদের ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন তিনি।

গ্রেফতার দু’জনকে আদালতে পাঠানো হবে বলেও জানান এসআই সুব্রত কুমার।
গ্রেফতার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অসীত কুমার বর্মণ সাতক্ষীরা জেলা সদরের রাজনগর গ্রামের অমল কুমার বর্মনের ছেলে। আর শিক্ষিকা নুসরাত জাহান পলি তালা উপজেলার হরিনগর গ্রামের জাহাতাব উদ্দিন গোলদারের মেয়ে।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই তারা অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন।

এ ব্যাপারে খুলনা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রমেন্দ্রনাথ পোদ্দার জানান, দু’জনের গ্রেফতারের খবর তিনি শুক্রবার সকালে শুনেছেন। কিন্তু, অফিস ছুটি থাকায় তাদের বিরুদ্ধে আপাতত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

অফিস খুললে রোববার তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হবে। এরপর বিধি অনুযায়ী অন্যান্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি

##

চট্টল বীরের মৃত্যুতে সারাদেশে শোকের ছায়া


বার্তা বিভাগ : চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর আর নেই (ইন্নালিল্লাহি….. রাজিউন)।

শুক্রবার ভোর রাত ৩টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর মেহেদিবাগে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী খোকা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত রোগে ভুগছিলেন।

এর আগে বিদেশে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে চট্টগ্রামে ফেরার দুদিনের মাথায় শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হলে বৃহস্পতিবার মহিউদ্দিন চৌধুরীকে ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।

মহিউদ্দীন চৌধুরী ১৯৪৪ সালের ১ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন। ২০০৫ সালের মেয়র নির্বাচনে তিনি তৃতীয়বারের মতো চট্টগ্রামের মেয়র নির্বাচিত হন।

মৃত্যুর আগে তিনি চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন।

##

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সোনার মজুদ যেখানে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয়ের একটা অংশ সংরক্ষণ করে সোনা মজুদের মাধ্যমে। এজন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ব্যাংক বাজার থেকে সোনা কিনে থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সোনা কেনার পরিমাণ বাড়লে সোনার দামও বাড়ে। সোনা মজুদের দিক দিয়ে বিশ্বের সবার উপরে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক।

নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের ভল্টে রয়েছে সাত হাজার টন সোনা। যা কিনা পৃথিবীতে উত্তোলিত মোট সোনার পাঁচ শতাংশ। এ কারণেই এই ভল্টটির ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার দিকটি দারুণভাবে সুরক্ষিত। তবে এই সোনার মালিক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক নয়। তারা শুধু ভল্টে এই সোনা রাখার দায়িত্ব পালন করে।

রাস্তা থেকে আশি ফুট নিচে সুরক্ষিত ভবনের মধ্যে অবস্থিত নলাকার ভল্টটি। ভল্টটির মধ্যে ১২২টি পৃথক মিনি ভল্ট রয়েছে। এই মিনি ভল্টগুলো আলাদা আলাদা দেশের জন্য সংরক্ষিত। এছাড়া ভল্টের মধ্যে রয়েছে একটি ‘লাইব্রেরি ভল্ট’। ভল্টগুলোতে সোনা জমা রাখা হিসাবধারীদের তথ্য জমা থাকে এখানে।

এখানে সোনার বার জমা রাখার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম কানুন বেশ শক্তভাবে মেনে চলে রিজার্ভ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। প্রত্যেকটি সোনার বারকে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হয়। প্রত্যেকটি সোনার বারকে নির্দিষ্ট একটি বার কোড অনুযায়ী সংরক্ষণ করা হয় যাতে একজনের জমা রাখা সোনার বারের সাথে অন্যের সোনার বার মিলে না যায়। কেউ সেখানে যে সোনার বার জমা রাখলে নেওয়ার সময়ও তাকে ঠিক সেটিই দেওয়া হয়।

নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের গ্রাহকদের মধ্যে রয়েছে সার্বভৌম অনেক রাষ্ট্রের পাশাপাশি ব্যক্তি পর্যায়ের অনেক কোটিপতিরাও রয়েছেন। ৩৬টি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সোনা জমা রয়েছে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের ভল্টে।

এছাড়া আইএমএফের মতো সংস্থাও সোনা জমা রেখেছে এই ভল্টে। কিন্তু সম্পদের ওপর ভিত্তি করে সোনা জমাকারীদের বিষয়ে অভিন্ন নীতি মেনে চলে প্রতিষ্ঠানটি। জমাকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যও ব্যাংকে রক্ষিত সোনার বারের মতোই সুরক্ষিত থাকে। সব থেকে মজার তথ্য হলো, এতো কড়াকড়ি নিরাপত্তা সত্ত্বেও ভল্টটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত।

সোনা মজুদের দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জার্মানি। তাদের সোনার পরিমাণ ৩ হাজার ৩৮৪ টন। তবে জার্মানি তাদের এক তৃতীয়াংশ সোনা নিজ দেশে রাখে। ৪৫ শতাংশ রাখে যুক্তরাষ্ট্রে, ১৩ শতাংশ লন্ডনে এবং বাকি ১১ শতাংশ রাখে ফ্রান্সে। বেশি সোনার মজুদের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএফএম)। তাদের কাছে মজুদ রয়েছে ২ হাজার ৮১৪ টন সোনা। ২ হাজার ৪৫১ টন সোনা নিয়ে চতুর্থ স্থানে ইতালি। আর দুই হাজার ৪৩৫ টন সোনা নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে ফ্রান্স।

##

তদন্ত করে অপ্রাপ্ত বয়স্কের বিয়ের অনুমতি দিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা জারি


বার্তা বিভাগ : কোনো ধরনের তদন্ত ও অনুসন্ধান ছাড়াই বাল্যবিবাহের অনুমোদন দিচ্ছেন কোনো কোনো আদালত। এ ধরনের অনুমোদন দেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সুপ্রিম কোর্ট।

গতকাল রবিবার এ সংক্রান্ত এক সার্কুলার জারি করে তাতে বলা হয়েছে, দেশের কোনো কোনো আদালত বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭ এর ১৯ ধারায়, অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিবাহ অনুষ্ঠানের আবেদন কোনো প্রকার তদন্ত, অনুসন্ধান ছাড়াই বাল্যবিবাহের অনুমোদন দেয়া হচ্ছে। এতে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য ব্যর্থতায় পর্যবসিত হচ্ছে। অপ্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ ও নারীর স্বার্থ বিঘ্নিত হচ্ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। দেশের অধস্তন সব আদালতসমূহকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ওই সার্কুলারে বলা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত সার্কুলারে আরো বলা হয়েছে, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন একটি বিশেষ আইন।

এ আইনে অপ্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ (২১ বছর পূর্ণ হয়নি এমন পুরুষ) এবং মহিলা (১৮ বছর পূর্ণ করেনি এমন নারী) এর বিবাহ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কিন্তু এ আইনের ১৯ ধারায় নিতান্তই ব্যতিক্রম হিসেবে কোনো বিশেষ প্রেক্ষাপট বিবেচনায় অপ্রাপ্ত বয়স্কদের সর্বোত্তম স্বার্থ, আদালতের নির্দেশ ও পিতা-মাতা বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতিক্রমে বাল্যবিবাহ অনুষ্ঠানের বিশেষ বিধান সন্নিবেশিত করা হয়েছে।

এ বিশেষ বিধানটি আইনের ব্যতিক্রম হিসেবে সর্বাবস্থায় সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে প্রয়োগযোগ্য।

আবার এ আইনের অধীন কার্যধারা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ঘটনার সত্যতা নিরূপণের নিমিত্তে আদালতকে এ আইনের ১৬ ধারায় সরেজমিন তদন্ত করার এখতিয়ার প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এটি পালন করা হচ্ছে না।

##

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাম ভাঁড়িয়ে ইয়াবা পাচার করতে গিয়ে ধরা


বার্তা বিভাগ : রাজধানীর খিলক্ষেত থানায় ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তিনি নিজেকে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে প্রতারণার চেষ্টা করছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

শাহাদত হোসেন অশ্রু নামে ওই ব্যক্তিকে রোববার ভোরে গ্রেপ্তার করা হয় বলে খিলক্ষেত থানার ওসি শহিদুল হক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, নম্বরপ্লেটবিহীন একটি মোটর সাইকেলে চলছিলেন ওই ব্যক্তি, বাইকের পেছনে ‘পুলিশ’ লেখা ছিল।

“গ্রেপ্তারের সময় সে নিজেকে র‌্যাব সদর দপ্তরে কর্মরত রয়েছে বলে দাবি করে ছাড় পাওয়ার চেষ্টা করছিল। থানা পুলিশ সদস্যরা তার কাছে পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে সে দেখাতে পারেনি।”

“থানায় আনার পর সে দাবি করে বিমান বাহিনীতে কর্মরত ছিল। ২/৩ মাস আগে চাকরিচ্যুত হয়।এই দাবির পক্ষেও কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।”

অশ্রুর কাছে ১৫৬টি ইয়াবা এবং একটি নকল পিস্তল পাওয়া যায় বলে জানান ওসি।

তার বাসা যাত্রাবাড়ি থানা এলাকার ধলপুরে বলে জানান ওসি।

##

এবার হাইকোর্টে ক্ষমা চাইলেন লক্ষ্মীপুরের সেই এডিসি


বার্তা বিভাগ : লক্ষ্মীপুরের সাবেক সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন শরীফকে সাজা দেওয়ার ঘটনায় নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) শেখ মুর্শিদুল ইসলাম ও সাজা প্রদানকারী নির্বাহী হাকিম (ম্যাজিস্ট্রেট) মো. নুরুজ্জামান।

আজ বুধবার সকালে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে তাঁরা ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

আদালতে এডিসির পক্ষে অ্যাডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার এবং নির্বাহী হাকিমের পক্ষে অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ন আবেদন দাখিল করেন। তাঁরা বলেন, ‘আমরা এ ঘটনায় নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আশা করি, আমাদের মাফ করে দেবেন।’

পরে শুনানি শেষে আদালত তাঁদের নিঃশর্ত ক্ষমা করে দেন। এ সময় আদালত সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশে বলেন, সরকারি কর্মকর্তারা যেন কোনোভাবেই ক্ষমতার অপব্যবহার না করেন, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

এর আগে এডিসি শেখ মুর্শিদুল ইসলামের সঙ্গে ‘অসদাচরণের’ অভিযোগে ডা. শরীফকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিন মাসের সাজা দেওয়া হয়। ওই ঘটনার পর মুর্শিদুল ইসলামকে লক্ষ্মীপুর থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

গত ৪ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসন পরিচালিত শহরের কাকলি স্কুলের প্রবেশপথে আগে-পরে যাওয়াকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মুর্শিদুল ইসলাম ও ডা. সালাহ উদ্দিন শরীফের বড় ছেলে মিনহাজের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এ সময় ডা. সালাহ উদ্দিন এগিয়ে এসে পরিচয় জানতে চান। কিন্তু এডিসি পরিচয় না দিয়ে তাঁর সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন।

পরে পুলিশ ডেকে চিকিৎসককে আটক করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয় সালাহ উদ্দিন শরীফকে।

খবর পেয়ে জেলায় কর্মরত চিকিৎসকরা ক্ষুব্ধ হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ছুটে যান। বিক্ষুব্ধ অবস্থায় চিকিৎসকরা প্রশাসনের সব সেবা কার্যক্রম ও সব হাসপাতাল-ক্লিনিক বন্ধ রাখার হুমকি দিয়ে ওই চিকিৎসকের মুক্তি দাবি করেন।

জেলা প্রশাসক হোমায়রা বেগমের সঙ্গে প্রায় আধা ঘণ্টার মতো রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন চিকিৎসকরা। বৈঠকে চিকিৎসকরা তড়িঘড়ি করে সাজা দেওয়ার বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রশ্ন তোলেন। এ সময় জেলা প্রশাসক আপিল করলে সহযোগিতার আশ্বাস দেন চিকিৎসকদের।

##

কী পোষাক পরব সেটা সম্পূর্ণ নিজের ব্যাপার : শান্তা জাহান


বিনোদন ডেস্ক : খুবই ভালো একটা অবস্থানে আমরা আছি। ২৯টি চ্যানেল প্রচারে আছে। আরো ১১টি চ্যানেল আসছে। একটি চ্যানেল মানে কিন্তু অনেকগুলো অনুষ্ঠান। একটা অনুষ্ঠান ফুটিয়ে তোলার জন্য একজন উপস্থাপিকার খুব দরকার। এ ক্ষেত্রে চ্যানেলগুলোর উচিত যে যেই বিষয়ের উপর দক্ষ, সে অনুষ্ঠানগুলোতে তাকে দায়িত্ব দেয়া। তাহলে অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পেত। দর্শকও অনেক বেশি ইনভলব হতে পারতো অনুষ্ঠানের সঙ্গে।

নানা অনুষ্ঠান আর উপস্থাপিকার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে, এমনটা কেন হচ্ছে?

আমাদের আগে ব্যাসিকটা জানতে হবে। সেটা হতে পারে ক্রিকেট হতে পারে গান। যে অনুষ্ঠানই হোক। যে বিষয় নিয়ে কথা বলছি যার সম্পর্কে কথা বলছি তা নিয়ে যদি আমাদের জ্ঞান না থাকে, তাহলে একটা চেয়ারে বসে জায়গাটারই শোভা নষ্ট করা হয়। আমার কাজ হচ্ছে প্রগ্রাম পরিচালনা করা।

সেক্ষেত্রে অনুষ্ঠানের প্রযোজক কতটা হেল্পফুল হয়?

আধুনিকায়নের নামে অনুষ্ঠান প্রযোজকরা অনেক পোষাক চাপিয়ে দেয় বা উপস্থাপাকিরা পরিধান করেন। যা নিয়ে নানা সময়েই সমলোচনার মুখে পড়তে হয়……

পোষাকটা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যেটা আমার ঐতিহ্যকে বহন করে। সেক্ষেত্রে আমাদের বাঙালিদের নির্দিষ্ঠ কিছু পোষাক আছে। যেটা দেখে আমরা জন্মলগ্ন থেকেই বড় হচ্ছি। বর্তমান সময়ে একটা ট্রেন্ড চলে আসছে। সবাই একটু ওয়েস্টার্ন পোষাক চায়, নিজেকে আল্ট্রা মডার্ন উপস্থাপন করতে চায়। সেটা অনেক সময় কর্তৃপক্ষও ঠিক করে দেয়। পোষাক কখনো একজন মানুষকে স্মার্ট করতে পারে না। স্মার্টনেস আমাদের নিজস্ব ধারণ ক্ষমতার উপর নির্ভর করে। আমি আসলে আমাকে কতটা রিপ্রেজেন্ট করতে পারি সেটা হলো ব্যাপার। সেটা শাড়িতেও হতে পারে, সেটা অন্য কোন ওয়েস্টার্ন পোষাকেও হতে পারে। আমি যে পোষাকই পড়ি না কেন।

সবার আগে আমার দেশের সভ্যতা আমার দেশের সংস্কৃতি এবং আমাদের দেশের সাধারন মানুষ যে পোষাকটি দেখে অভ্যস্থ, তেমনটাই পড়া উচিত। এক্ষেত্রে বললো শাড়ি কিংবা সেলোয়ার কামিজ আমাদের দেশের ক্ষেত্রে অনেকবেশি সৌন্দর্য্য বহন করে।

নতুনত্ব আনতে কেউ যদি ভিন্ন কিছু ট্রাই করে…

আমি কি পোষাক পড়বো না পড়বো সেটা সম্পূর্ণ নিজের ব্যাপার। আমরা যারা শিল্প সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত আছি। আর আমরা যারা শিল্প সংস্কৃতিতে কাজ করি। নিজেদের শিল্পী বলে দাবি করি। এ দাবি থেকেই কিন্তু দায়বদ্ধতা চলে আসে।

পরবর্তী প্রজন্মের কাছে যেন আমরা এমন কিছু রাখতে পারি । সেদিকে খেয়াল রেখে কাজ করতে হবে। যদি আমাদের মধ্যে কোয়ালিটিটা থাকে। ক্যাপাবিলিটি থাকে। উপস্থাপনার জন্য আমাকে ডাকতে বাধ্য হবেন। তার জন্য আসলে পোষাক বা সাজুগুজু কোন ব্যাপার নয়। আজকাল আসলে মানুষ সাজুগুজুর চেয়ে দক্ষতাকেই বেশি প্রাধান্য দেয় বলে আমি মনে করি।

নতুনরা আসতে চাইলে…

আমার শুরুটা হয়েছিল হঠাৎ করে। আমি কিন্তু কিছু জেনে বুঝে আসিনি। তবে শুরু করতে গিয়ে প্রথম দিন থেকেই চেষ্টা করেছি শেখার। যখন আমি প্রথম দিন অডিশনের জন্য গিয়েছি। তখন শিখেছি আমাকে কি বলতে হবে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আমি যে তথ্যটা দিয়েছি সেটা ঠিক কিনা। আমরা যতই বলি না কেন বোকা বাক্সের আড্ডাখানা। ড্রইং রুম মিডিয়া। ড্রইং রুমে বসে দেখছে বলে কিন্তু তারা বোকা নয়। আসলে আমরা তাদের বোকা বানানোর চেষ্টা করছি। তাদের হাতে কিন্তু সব অপশন আছে।

সব দেশের চ্যানেল তারা দেখছে। তারা কিন্তু সকল বিষয়ে খেয়াল রাখছে। সম্ভাবনা অনেক আছে। আমি সবকিছু ফেলে রেখে উপস্থাপনাকেই প্রাধান্য দিচ্ছি। এখানে আসতে চাইলে ওয়েলকাম। তবে জেনে বুঝে আসলে টিকে থাকতে পারবে।

অভিনয়ের খোঁজ কি?

অভিনয় হচ্ছে আমার একটা ভালবাসার জায়গা। শোবিজে একটা বিষয় আছে। নতুন কেউ কাজ শুরু করলে তাকে সবদিক থেকে কল করা হয়। মডেলিং, নাটক এমনকি চলচ্চিত্র সহ শোবিজের সব মাধ্যমে থেকেই ডাকা হয়।

আমারই অনেক সিনেমার অফার এসেছে, এখনো আসে। সেক্ষেত্রে আমি বলবো সবকিছুই তো একটা সাধনার ব্যাপার। অভিনয়ের ক্ষেত্রে সাধনাটা আরো বেশি থাকতে হয়। উপস্থ

নতুন ভিলেনদের জায়গা করতে দেয় না মিশা


বিনোদন ডেস্ক : সিনেমা পাড়ায় গুঞ্জন রয়েছে, মিশা সওদাগর অন্য ভিলেনদের বিরুদ্ধে রাজনীতি করে। নানাভাবে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছে।

সেই সুবাধে নিজের একই দিনে তিন জায়গায় শুটিং থাকলেও তার প্রতিদ্বন্ধীদের কারো হাতে ছবি নেই।

প্রশ্ন উঠতে পারে তার প্রতিদ্বন্ধী কে? ওমর সানী, অমিত হাসান, আলেকজান্ডার বো, রুবেল, বাপ্পারাজ। এরা সবাই জনপ্রিয় অভিনেতা হলেও খল চরিত্রে নিজেকে প্রমাণের চেষ্টা করেছিলেন।

মিশার সঙ্গে পেড়ে উঠেনি কেউ। সেটা কি শুধুই মিশার দক্ষতা? নাকি অন্য কিছু? এমনও অভিযোগ রয়েছে যখন যে নায়ক জনপ্রিয়তার শৗর্ষে থাকেন। তার সঙ্গে একটা বোঝাপড়া তৈরী করে ফেলেন মিশা। নায়ক-নায়িকা যেমন জুটি প্রথা রয়েছে। মিশার সঙ্গে তেমনি নায়কদেরও জুটির রেকর্ড রয়েছে।

এ নিয়ে মিশা সওদাগর বলেন, ‘আমি একদিন শাকিবকে বলেছিলাম ইন্ডাস্ট্রিতে তুমি কোন নায়ক তৈরী করতে পারোনি। আমি অনেকগুলো নায়ককে ভিলেন তৈরী করে দিয়েছি। তারা কিন্তু সবাই চেষ্টা করেছে। এখনো সিনেমা করছে। দর্শক যাকে পছন্দ করবে তাদেরই তো পরিচালকরা নিবেন। যেমন আমি পার্সোনাল ভাবে ডনকে খুব পছন্দ করি। আমি যে ছবিতে থাকি। ডনকে রাখতে চাই। আমি শানুকে পছন্দ করি, ওকে রাখতে চাই। নতুনদের মধ্যে ডিজে সোহেলকে পছন্দ করি। ওকে রাখতে চাই। আমি কিন্তু তাদের সুযোগ দেই। আমি মনে করি নতুনরা আসুক। আমার সময় যখন এটিএম শামসুজ্জামান, রাজিব, সাদেক বাচ্চু, হুমায়ূন ফরিদী সাহেবরা ছিলেন। তখন তাদের চার পৃষ্ঠা সংলাপ থাকতো। আমি এক বা দুই শব্দের সংলাপ দিতাম। সেখান থেকে দর্শকই আজকের এই অবস্থানটা করেছে। আমার কাউকে বলতে হয় না। আমি জানিও না কোন গল্পে আমার জন্য চরিত্র লেখা হচ্ছে।

পরিচালকরাই জানে কোন চরিত্রটা আমি সবচেয়ে ভালো করতে পারবো। কারো সঙ্গে আমার শত্রুতা নেই। এটা ওপেন ফিল্ড। দর্শক পরিচালকরাইে এখানে স্টার তৈরী করে’।

##

নিউইয়র্ক হামলাকারী আকায়েদ ব্রুকলিন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক


নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যানহাটনের টাইম স্কয়ার সাবওয়ে স্টেশনের কাছে ভূগর্ভস্থ পথে গতকাল সোমবার বোমা হামলাকারী আকায়েদ উল্লাহ্‌ ব্রুকলিন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। আর ছাত্রজীবনে দেশে থাকা অবস্থায় তিনি জামায়াতে ইসলামের ছাত্র সংগঠন শিবিরের সঙ্গে সক্রিয় ভাবে জড়িত ছিলেন। প্রবাসী বাংলাদেশি ও আকায়েদ উল্লাহর ঘনিষ্ঠ স্বজনদের সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

একাধিক সূত্রে নি্শ্চিত হওয়া গেছে, আকায়েদের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের পন্ডিতের হাটের পূর্ব পাশে ভূঠান তালুকদারের বাড়ি। তিনি মরহুম ছানাউল্লার ছেলে।

আরও জানা গেছে, আকায়েদের জন্ম ঢাকাতে। বাংলাদেশে থাকার সময় তিনি পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে ঢাকার হাজারীবাগে থাকতেন।

ছাত্রজীবনে আকায়েদ শিবিরের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে দীর্ঘদিন সংগঠনটির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

যুক্তরাষ্ট্রে নিউিইয়র্কের ব্রুকলিন বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের সূত্রে জানা গেছে, সাতাশ বছর বয়সী আকায়েদ মা ও ভাইবোন সহ সাতবছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করে আসছেন।

সেখানে তিনি ব্রুকলিনের ইস্ট ফর্টি এইট স্ট্রিটে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকেন এবং ব্রুকলিন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পদের দায়িত্বে রয়েছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফরকালের যে বিক্ষোভ হয়েছিলো সেখানে নেতৃত্ব দিয়েছেন আকায়েদ। ব্রুকলিনে অবস্থিত বাংলাদেশি অভিবাসীদের কয়েকটি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা

এসব তথ্য জানায়। আরও জানা গেছে, ব্রুকলিনে বসবাসকারী ধনকুবের কাশিম আলীর সঙ্গে আকায়েদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। ব্রুকলিন প্রবাসী কাশিম আলী মূলত একজন ব্যবসায়ী। তিনি বিএনপির একজন শীর্ষ অর্থ যোগানদাতা হিসবেই পরিচিত। ঘটনার পর থেকেই কাশিমের ব্রুকলিনের বাড়িটি পুলিশ ঘেড়াও করে রেখেছে।

##

সংলাপের পথ বিএনপিই বন্ধ করেছে : ওবায়দুল কাদের


আকরাম হোসেন : বিএনপিই সংলাপের পথ বন্ধ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি সভা ও সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘কোকোর মত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়াকে সহমর্মিতা জানাতে গিয়েছিলেন।

কিন্তু তাকে বাধা দেওয়া হয়। এর মধ্যদিয়েই সংলাপের পথ বিএনপিই বন্ধ করে দিয়েছে। তাদের মুখে এখন সংলাপের কথা মানায় না।’

তিনি বলেন, ‘সিঙ্গাপুর ও আমেরিকার আদালতে ইতিমধ্যে তারেক রহমানের মানি লন্ডারিংসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। সম্প্রতি সৌদি আরবের রাজপরিবারের গ্রেফতার সদস্যদের স্বীকারোক্তিতেও খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদের অস্তিত্ব মিলেছে।’

‘বিএনপি জনগণকে কী দেখাবে’ প্রশ্ন করে তিনি বলেন, ‘তাদের সময় দেশ ছিল দুর্নীতিতে নিমজ্জিত।’

বক্তৃতাকালে ওবায়দুল কাদের মঞ্চে বসা জেলা আওয়ামী লীগের নেতা ও সংসদ সদস্যদের শাসিয়ে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কর্মীদের মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা মঞ্চে বসা নেতাদের মধ্যে। এখনই সতর্ক হোন। নইলে বিপদ আছে। বড় বড় বিলবোর্ড, বড় বড় ব্যানারে ছবি টাঙিয়ে অথবা ঢাকায় বসে থেকে মনোনয়ন পাওয়া যাবে না। মনোনয়ন হবে জনগণ ও দলীয় কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে। যারা ঢাকায় থাকেন তারা সাতক্ষীরায় ফিরে আসেন। জনগণের সাথে মেশেন। আওয়ামী লীগের কর্মীদের পাশে দাঁড়ান।’

চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজরা যাতে আওয়ামী লীগের সদস্য না হতে পারে- সে সম্পর্কে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ এখন ক্ষমতায়। তাই অনেকেই আসবে। কিন্তু ক্ষমতায় না থাকলে পাঁচ হাজার ওয়াটের বাল্ব জালিয়েও তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।’

মন্ত্রী সাতক্ষীরাবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘সব রাস্তার টেন্ডার হয়ে গেছে। আগামী জুনের মধ্যে আপনারা বাস্তবে দেখতে পাবেন। আমি যে প্রতিশ্রুতি দিই তা পূরণ করি।’

জনসভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। সঞ্চালন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম।
এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এসএম কামাল হোসেন, সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আ ফ ম রুহুল হক, সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জগলুল হায়দার, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রিফাত আমিন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক আবু আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবু প্রমুখ।
পরে ওবায়দুল কাদের দলীয় সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

##